এবার গ্রামীনফোনের প্রক্সি ট্রিক দ্বারা আপনার পিসি দিয়েও আনলিমিটেড ডাউনলোড এবং ব্রাউজিং করুন

Tuesday, 22 March 2011
এবার আসল জিনিস: যেভাবে আপনার পিসিতে ব্যবহার করবেন:
প্রথমে ডাউনলোড করার পালা। http://www.mediafire.com/?4p5p5cq5egkvxlr#2 অপেরা মিনি৫ এবং Http Proxy Digger ডাউনলোড করে নিন(মিডিয়া ফায়ার লিংক)। যদি ক্লিকে কাজ না করে তার জন্য নিচের লিংকটি আপনার এড্রেসবারে পেস্ট করুন। http://www.mediafire.com/?4p5p5cq5egkvxlr
আগেই বলে নেই আমার এভাস্ট এন্টিভাইরাস এই সফ্টকে ভাইরাস বলে চিল্লা চিল্লি করে দেখে প্রথমে ভয় পাইছিলাম তারপর দেখি যেখান থেকে ডাউনলোড করেছিলাম ঐখানেই লেখা আছে যে যেহেতু এইটা একটা হেকিং সফ্টওয়্যার(সাধারনত হেকাররা এইটা ব্যবহার করে) তাই এন্টিভাইরাস এটাকে ভাইরাস বলেই জানে। তাই পিসিতে ফ্রীতে নেট চালানোর আশায় মনে ভয় থাকা সত্তেও ইন্সটল করলাম সফ্টটা। ইন্সটল হবার পর এখন আর এন্টিভাইরাস চিল্লায় না। তাই আমার মনে হয় আপনাকেও এন্টিভাইরাস সাময়িকভাবে ডিজেবল করে সফ্টওয়্যারটা ওপেন করতে হবে।
এন্টিভাইরাস ডিজেবল করে ইন্টারনেট কানেকটেড অবস্থায় Http Proxy Digger.exe ওপেন করে প্রথমে সফ্টওয়্যারটা ইন্সটল করে নিন।এবার আপনার জিপি নেট কানেক্ট করুন। কানেক্ট হওয়ার সাথে সাথে একটা বক্স দেখতে পাবেন ঐখানে http://202.56.4.225.server4.operamini.com:80/ বসিয়ে Activate চাপলে আপনার নেট একবার ডিসকানেক্ট হয়ে আবার কানেক নিবে এবার আপনার ফায়ারফক্স অথবা অপেরা ব্রাউজার ওপেন করে যেকোনো লিংক এ প্রবেশ করতে চেষ্টা করুন। যদি দেখেন ঢুকছে তাইলে আপনারে আর কে পায়, আপনার ব্রাউজিং ডাউনলোডিং সব ফ্রী!!! http://techtunes.com.bd/internet/tune-id/58333/

কিশোর-কিশোরীদের অনলাইনে আয়-রোজগার করবার ১০টি উপায়

Thursday, 17 March 2011
আয়-রোজগার সবার জন্যেই একটি প্রিয় বিষয়, বিশেষ করে টিনেজারদের জন্যে। তারা সবসময় চায় তাদের যা পছন্দ তা করতে এবং কিছু অর্থ উপার্জন করতে। কিশোর-কিশোরীরা প্রধানত সেসব কাজ বেছে নিতে চায় যেখানেঃ-

১।কাজটা সহজ হবে,
২।কাজটা এড্‌ভেঞ্চারমূলক হবে
৩।কাজটাতে নুন্যতম পুজিঁ লাগবে কিংবা লাগবেই না

কিশোর-কিশোরীদের অনলাইনে আয়-রোজগার করবার ১০টি উপায়।

আমি ইন্টারনেট জগতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কারণ, এটি এমন একটি মাধ্যম যেখানে প্রচুর অর্থ উপার্জনের রাস্তা রয়েছে আর তুমি ঘরে বসেই এসব করতে পারো।

এখন আমি কিশোর-কিশোরীদের অনলাইনে আয়-রোজগার করবার ১০টি উপায় উপস্থাপন করবো


একটি ব্লগ দ্বারা আয়
১।পে-পার-ক্লিক(ক্লিক করলেই টাকা)

যদি তুমি নিছক আনন্দের জন্যে ব্লগ করে থাকো। সেটি হতে পারে তোমার প্রিয় বিষয়ের উপর। একসময় যখন তুমি তোমার ব্লগে যথেষ্ট লোকজনের আনাগোনা দেখতে পাবে তখন “পে-পার-ক্লিক” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেখান থেকে লাভ করতে পারো। তোমাকে শুধু সেখানে পাব্‌লিশার বা “বিজ্ঞাপন প্রকাশক” হিসেবে সাইন আপ করতে হবে এরপর তুমি তোমার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে পারবে। যখন কোনো পাঠক সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে, তখন তুমি একটি লভ্যাংশ পাবে, ব্যাস।
তুমি তোমার ব্লগে মনোযোগ দাও আর তোমার ইনকাম আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। অনলাইনে আয় রোজগার করার এটিই সবচেয়ে সহজ ও সর্বোত্তম পন্থা তবে শুধু টিনেজারদের জন্যেই নয়, ওয়েবমাস্টারদের জন্যেও বটে।

একটি খুবই জনপ্রিয় পে-পার-ক্লিক সংস্থা হচ্ছে গুগল এড্‌সেন্স আর এছাড়াও এরকম আরো সংস্থা রয়েছে যেমনঃ বিড্‌ভের্‌টাইজার, ইয়াহু পাব্‌লিশার নেটওয়ার্ক, ক্রিস্প্‌ এডস্‌ ইত্যাদি। এগুলোতে ফ্রি-তে জয়েন করা যায় এবং আয় করা যায়।
২।পেড্‌ বা স্পনসর করা রিভিউ(টাকা নিয়ে রিভিউ লেখা)

তোমার যদি একটি ব্লগ থেকে থাকে তবে তুমি মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের কথা লিখে অনেক মোটা অংকের আয় রোজগার করতে পারো। এসব স্পনসর করা রিভিউ-এ ১০০ থেকে ২০০ শব্দের লেখার জন্যে তুমি গড়ে ৫ থেকে ২০ মার্কিন ডলার(প্রায় ৩৫০ থেকে ১৪০০ টাকা) পাবে। যদি তোমার ব্লগে বেশি পাঠক আনাগোনা থাকে কিংবা সার্চ র‌্যাংক বেশি থাকে তবে তুমি আরো বেশি টাকা পেতে পারো। এটি অনলাইন উপার্জনের আরো আধুনিক একটি রাস্তা এবং পে-পার-ক্লিক এর চাইতে উত্তম। পেড্‌ রিভিউ পাওয়ার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। যেমনঃ পেপারপোস্ট, স্মর্টি, লাউড্‌লঞ্চ, স্পনসরড্‌ রিভিউস্‌ ইত্যাদি।

একটি ওয়েবসাইট দ্বারা আয়
৩।এফাইলিয়েট মার্কেটিং(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

[উল্লেখ্য, আমি এখানে সবার বোঝার জন্যে লিখলাম যে এফাইলিইয়েট শব্দের অর্থ গ্রুপ বা কোম্পানী বা বন্ধুত্ব।]

তুমি একজন এফাইলিয়েট হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানী বা সংস্থায় সাইন-আপ করতে পারো। তোমার ওয়েবসাইটে শুধু এফাইলিয়েটদের বিজ্ঞাপন দিবে আর দেখবে পাঠকেরা যেন তোমার লিংকের অধীনে সেখানে সাইন-আপ করে। প্রতিটি পন্য বিক্রয়ের জন্যে অথবা সাইন-আপের জন্যে তুমি কমিশন পাবে। এই কমিশন কোম্পানীভেদে ভিন্ন হতে পারে। একটি কমিশন গড়ে হতে পারে ৫ থেকে ২০ ডলার আর যদি পন্যাটি আরও এক্সক্লুসিভ বা আকর্ষনীয় হয় তবে প্রতিটি বিক্রয়ে তুমি ৫০ থেকে ১০০ ডলার পেতে পারো।

অন্য সকল রাস্তার চেয়ে এফাইলিয়েট মার্কেটিং অধিকতর কঠিন কারণ, তোমাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ লোকজনকে ওয়েবসাইটে আনতে থাকতেই হবে। গুগলে সার্চ করে তোমার ওয়েবসাইট-এর বিষয় “ফ্রী এফাইলিয়েট প্রোগ্রাম” সম্বন্ধে জানো আর সাইন-আপ করো।
৪।একটি সেবামূলক ব্যবসা করো

যদি তুমি অনলাইনের বাইরে অর্থাৎ আসল জীবনে চাকরী করে থাকো তবে তোমার সেবা অনলাইনে বিক্রি কর। যদি তুমি ফ্যাশন ডিজাইনার, অনুষ্ঠান আয়োজক, চিত্রগ্রাহক হয়ে থাক অথবা ব্যান্ড সংগীত করে থাকো তবে, তোমার মহল্লায় তোমার এই সেবাকে বাজারজাত করতে একটি ওয়েবসাইটওতৈরী কর। তুমি তোমার সেবার কাজ, যেমনঃ বৃদ্ধ বা প্রতিবন্ধীদের জন্যে কেনাকাটা করে দেওয়া, বাচ্চাদের দেখাশোনা করা ইত্যাদি অনলাইনে প্রচার করতে পারো।

টিনেজার্‌রা অনলাইনের বাইরে অনেক কাজ করে থাকে। তুমি তোমার সুবিধার্থে ইন্টারনেটকে ব্যবহার করতে পারো। তোমার নিজের পূর্ণ বিবরণ, ছবি, যে কাজটি তুমি পুর্বে করেছিলে আর তোমার পারিশ্রমিক হার ওয়েবসাইটে এটেঁ দাও আর দেখবে মানুষ তোমাকে তাদের কাজের জন্যে ডেকে নিচ্ছে।
৫।ওয়েব রিসেলার(ইন্টারনেটের খুচরা ব্যবসায়ী)

তুমি একজন ইন্টারনেটের খুচরা ব্যবসায়ী হয়ে অনলাইনে কিছু বাড়তি আয় করতে পারো। যেকোন ওয়েব কোম্পানীতে ওয়েব রিসেলার হিসেবে সাইন-আপ করে তোমার ডোমেইন তত্ত্বাবধান করো আর ডোমেইন বিক্রি ও হোস্টিং সুবিধা দিয়ে লাভবান হও। এজন্যে অবশ্যই মুলধন প্রয়োজন হবে, কিন্তু একবার তুমি ব্যপারটা বুঝে গেলে, তুমি অনেক মোটা অংকের লাভ করতে পারবে।

এই ব্যবসা শুরু করার পুর্বে তোমার জেনে নেওয়া প্রয়োজনঃ-

ক।ওয়েবসাইট সম্বন্ধে
খ।ওয়েবমাস্টার সম্বন্ধে
গ।ডোমেইন ও অন্যান্য বিষয় সম্বন্ধে

নতুবা, তুমি একটি ব্যর্থ কিশোরে পরিণত হবে।

কোন ওয়েবসাইট ছাড়া আয়
৬।ইবে (ebay) নিলাম

ইবে হচ্ছে অনলাইনের সবচেয়ে বড় হাট-বাজার। যেখানে প্রচুর ক্রেতা ও বিক্রেতার সমাগম হয়। তুমি ইবের এফাইলিয়েট হয়ে আয় করতে পারো। তুমি তোমার পন্য অনলাইনে বিক্রি করে আয় রোজগার করতে পারো। অনলাইনের অনেকেই “ইবে” নিলামের মাধ্যমে আয় রোজগার করে যাচ্ছে। ইবে-তে সাইনইন করা ফ্রী হলেও কিছু বিক্রির জন্যে রাখতে হলে টাকা লাগে।

ইবে ব্যবহারে যা যা লাগবেঃ-

ক।ভালো এবং অন্যরকম পন্য
খ।ক্রেডিট কার্ড
গ।পে-পেল একাউন্ট
ঘ।তোমার পন্যের পরিবহন ব্যবস্থা

ইবেতে নিলামের ব্যপারটা বোঝা কঠিন কিন্তু, এ থেকে মুনাফা বানানো যায় আর অনেক টিনেজার্‌রা তাদের পুরোনো দ্রব্যাদি বিক্রি করে অনেক পয়সা বানাচ্ছে।
৭।একটা স্ট্যাটাস বিক্রয় হবে

আজকাল অধিকাংশ টিনেজার্‌রাই সোস্যাল মিডিয়ায় চরমভাবে সম্পৃক্ত। যেমনঃ ফেসবুক, ডিগ্‌, স্টাম্বলআপন আর মাইস্পেস। যদি তুমি এরকম সোস্যাল জগতে পাওয়ার ইউসার বা “শক্তিশালী ব্যবহারকারী” হয়ে থাকো তাহলে এটি তোমার জন্যে একটা বড় সম্পদ হতে পারে। “শক্তিশালী ব্যবহারকারী”মানে কি, অর্থাৎ যার এতো বন্ধু, ভক্ত কিংবা রাঘব-বোয়াল রয়েছে যে, সে কিছু লিখলেই তা সরাসরি অনেক বড় খবর হয়ে যায়।

“সোস্যাল স্ট্যাটাস” ব্লগার ও ওয়েবমাস্টারদের জন্যে অনেক উপকারী। তুমি কারো জন্যে সোস্যাল সাইটে লিখার জন্যে টাকা নিতে পারো। “ডিগ্‌”এর অনেক শক্তিশালী ব্যবহারকারীগণ ৩০০ থেকে ৫০০ ডলারে একেকটি স্ট্যাটাস বিক্রি করে। এছাড়াও তুমি তোমার প্রোফাইল অন্য কাউকে বিক্রি করেও পয়সা বানাতে পারো। এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, আমিও একজন পাওয়ার ইউসার বা শক্তিশালী ব্যবহারকারী যদি তোমার কোন প্রকার গেমিং ওয়েবসাইটে লোকজনের প্রয়োজন পড়ে তবে আমি সাহায্য করতে পারি।
৮।সার্ভে নাও(জরিপ করো)

ব্লগিং, পে-পার-ক্লিক, স্পনসরড্‌ রিভিউ আর এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর পুর্বে এসব সার্ভে বা জরিপ অনেক জনপ্রিয় ছিল। এর জন্যে কোন ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয় না। শুধু তুমি একেকটি সার্ভে বা জরিপ সম্পূর্ণ করবে এবং টাকা পেয়ে যাবে। এমন অনেক মাধ্যম রয়েছে যাতে, তুমি ইমেইল পড়বে ও ইমেইল প্রক্রিয়া সাধন করবে, অনলাইনে গেম খেলবে আর শপিং করবে। এমনই কিছু সার্ভে সাইট হচ্ছেঃ- সার্ভে সেভী আর ইনবক্স ডলারস্‌।
৯।ওয়েব ডিজাইনার(ওয়েবসাইট কারিগর)

আজকাল অনেক মানুষ ইন্টারনেট ব্যবসায়ে প্রবেশ করছে এবং তারা নিজের জন্যে ভালো ওয়েবসাইট চাচ্ছেন। যদি তোমার প্রচুর সৃজনশীলতা এবং ওয়েবসাইট তৈরী করার যোগ্যতা বা দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে তাদের ওয়েবসাইট তৈরি করে তুমি তোমার নিজের ভাত জোগাড় করতে পারো।

মানুষ ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে টিনেজারদের প্রতি বেশি আগ্রহী, কারণ দুটি। এক, তারা বেশি সৃজন কাজ করতে সক্ষম এবং দুই, তারা টিনদের চাহিদা অনুযায়ী ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবে। কখনো কখনো অনেকে ওয়েবসাইট তত্ত্বাবধানের স্থায়ী একটা চাকরী পেয়ে যায়। এটি কিশোর-কিশোরীদের আয় রোজগারের জন্যে সুন্দর একটি মাধ্যম।
১০।বিনোদন

তুমি তোমার নিজের তথ্য প্রযুক্তির পরামর্শগুলো একটি পড্‌কাস্টে রেকর্ড করে অনলাইনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারো। তুমি তোমার ব্যান্ডের গান অথবা তোমার আইফোন সম্পর্কীত পরামর্শের ভিডিও রেকর্ড করতেও পারো। এসব পড্‌কাস্ট/গান/ভিডিও ফ্রীতে সবাইকে দাও আর মানুষ তোমার কাছ থেকে আরো আশা করবে।

তুমি এগুলো বিক্রিও করতে পারো। ফরমায়েশ অনুসারে তুমি টাকা পাবে। অনলাইনে এমন অনেক অনলাইন ভিডিও বা অডিওমুলক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা তোমার ভিডিওর জন্যে টাকা দিবে।
১১।টিন্‌ বা কিশোর-কিশোরীদের জন্যে আর কি কি আছে?

প্রকৃতপক্ষে, অনলাইনে টিন্‌দের আয় রোজগারের জন্যে রাস্তার কোন অভাব নেই। এখানে রয়েছে সরাসরি এড্‌ বিক্রি, এমন কিছু এমএলএম(মাল্টি লেভেল মার্কেটিং)ব্যবসা যেগুলো অনলাইনে চলে থাকে, এমন কিছু ফোরামও যেগুলো থেকে আয় করা যায় আর তুমি উপন্যাস লিখতে পারো, তুমি তোমার লেখার সমতূল্য ছবি, ভিডিও ও গানের বিনিময়েও টাকা পাবে, তুমি অনলাইনে অর্থ বিনিয়োগ করেও লাভবান হতে পারো আরও ইত্যাদি উপায় আছে।
http://bn.blogkori.com/
 

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে)

টিউন করেছেন : ফেসবুক গুরু | প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ মার্চ, ২০১১ | 234 বার দেখা হয়েছে | Favorite 3 |

তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয় রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছো? তাহলে, আমার এই নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করবে কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার
বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে) | Techtunesসার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।
৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া

এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।

ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি

মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌

ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে

চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি

পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড
আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?

এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০ প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করবে।