খুব সহজেই মেমোরি কার্ড অথবা পেন ড্রাইভের ব্যাকগ্রাউন্ড এ নিজের ছবি দিন ।

Monday, 27 June 2011

আপনি ইচ্ছে করলে পেনড্রাইভ/মেমোরি কার্ডের ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার পছন্দের ইমেজ যুক্ত করতে পারেন। এজন্য প্রথমে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন এবং যে ইমেজটি ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে দিবেন সেই ইমেজটি ফোল্ডারের ভিতরে রাখুন, তারপর একটি নোটপ্যাড খুলুন, নিচের কোডটি টাইপ করুন অথবা কপি করে পেষ্ট করুন।

[ExtShellFolderViews]

{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image=Images\probarta.jpg
[.ShellClassInfo]
ConfirmFileOp=0
IconFile=%SystemRoot%\system32\SHELL32.dll
IconIndex=161
এখন এটিকে Save as এ গিয়ে desktop.ini নামে সেভ  করে বেরিয়ে আসুন
উল্লেখ্য কোডের যে অংশে Images\Delouar.jpg লেখা আছে সে অংশটিকে আপনার ফোল্ডার এবং ইমেজের নাম দ্বরা রিপ্লেস করুন। উদাহরন: আপনার ফোল্ডারের নাম যদি হয় Images-2 এবং ফোল্ডারের ভেতরের ইমেজের নাম যদি হয় Computer.jpg তাহলে Images\probarta.jpg
এর জায়গায় লিখতে হবে Images-2/Computer.jpg
তারপর নোটপ্যাডটিকে রিনেম করুন desktop.ini (.txt ফরমেট এর পরিবর্তে .ini ফরমেট হবে) নামে
এবার ফেল্ডার এবং desktop.ini ফাইলটি কপি বা কাট করে পেনড্রাইভ/মেমোরি কার্ডে পেষ্ট করে পেজটি Refresh করুন।
দেখুন আপনার ইমেজটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে এসেছে।

ব্লগার টিউটোরিয়াল: আপনার ব্লগার / ব্লগস্পট সাইট এর মোবাইল ভার্সন বের করুন । এখন যে কেউ আপনার সাইট মোবাইল থেকে দেখতে পারবে

ইদানীং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ভিজিট করার পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের বাজারে নামী দামী কোম্পানীসহ কমদামের চাইনিজ মোবাইল ফোনগুলো এখন মানুষের হাতে হাতে। সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন দিয়েই ইন্টারনেট, ব্লগ, সামাজিক সাইট ইত্যাদির সাথে পরিচিত হয়ে নিচ্ছে। আর সাইট/ ব্লগগুলোও এই মোবাইল দিয়ে অনলাইনে বিচরণকারী ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তাদের সাইটগুলোকে মোবাইল ফোন দিয়ে ব্যবহারের উপযোগী করে নিয়েছে। সাইটের আকার হয়ে গেছে ছোট। ডিসপ্লেতে দেখা যায় শুধুমাত্র পোস্ট লিংক, লোড হতেও বেশি সময় লাগে না। ওয়ার্ডপ্রেস, ফেসবুক, গুগল সার্চ, জিমেইল প্রভৃতি সাইটগুলো মোবাইলবান্ধব হয়ে গেছে অনেক আগেই। কিন্তু আপনার ব্লগের খবর কি? সেটার কি মোবাইলবান্ধব (Mobile Friendly) ভার্সন আছে? যদি না থাকে, তাহলে আসুন জেনে নিই কিভাবে আমাদের Blogger.com ব্লগকে মোবাইল ফোনে দেখার উপযোগী করে নিতে পারি।

না বন্ধুরা, ভয় পাবার কিছু নেই। এর জন্য আপনাকে কোনপ্রকার কোড জানতে হবে না, ব্লগের HTML অংশে কোনরকম পরিবর্তন করতে হবে না। কিংবা কোন প্লাগইন বা গেজেট ইনস্টল করতে হবে না। সামান্য একটু বুদ্ধি খাটিয়ে আমরা নিজেদের ব্লগার.কম এ থাকা ব্লগকে অনায়াসে মোবাইলবান্ধব করে নিতে পারি।
নিচের লিংকটি ব্রাউজারের এড্রেসবারে লিখে দিন (কপি পেস্ট করুন)। এবার MYBLOGGERBLOG.blogspot.com লেখাটিকে পাল্টে আপনার ব্লগের ওয়েব ঠিকানা (URL) লিখে দিন। এবার কিবোর্ডের এন্টার চাপুন। দেখুন কেমন সহজে আপনার ব্লগটি মোবাইলে দেখার উপযোগী হয়ে গেছে।
http://www.google.com/reader/m/view/feed/http://MYBLOGGERBLOG.blogspot.com/feeds/posts/default?orderby=updated
এবার কোন URL Shortening Service দিয়ে এই লম্বা লিংকটির একটি সংক্ষিপ্ত লিংক তৈরি করে ফেলুন। সেই লিংকটিই মোবাইলে ব্রাউজ করুন। বন্ধুদেরকে জানান, ব্লগের এককোনে লিখে রাখুন।

কিভাবে উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপ দিবেন ? এবার আপনিও পারবেন খুব সহজেই উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপ দিতে !

আমাদের বিভিন্ন কারনে এক্সপি সেটআপ দিতে হয় । এটা খুবই বিরক্তিকর একটি ব্যাপার এবং সেই সাথে ব্যায়বহুলও । বাজার থেকে এক্সপি সেটআপ দিলে কমপক্ষে ২০০-১৫০০ টাকা আপনাকে দিতে হবে । কি দরকার বলুন এতগুলো টাকা নষ্ট করার তার চাইতে যদি আপনি নিজেই আপনার এক্সপি সেটআপ দেন তা হলে অনেকগুলো টাকাও বাঁচবে এবং সেই সাথে আপনার ও শেখা হবে । তাই যারা উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপ দিতে পারেন না বা কখনো সেটআপ সেটআপ দেয়া চেষ্টা টুকু করেন নাই, তাদের জন্যই আমার এই পোস্টটি করা।


উইন্ডেজ এক্সপি সেটআপ করতে কম্পিউটার এর পারফরমেন্স ভেদে সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে তবে সাধারনত ২৫-৪৫ মিনিট লেগে থাকে । যাই হোক এবার শুরু করি কি বলেন  -
উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দিতে তিনটি ধাপ অনুসরন করতে হয় । নিচে ধারাবাহিক ভাবে ধাপগুলো অনুসরন করুন–
ধাপ – ১ : Installation শুরু …..
প্রথমে উইন্ডোজ এক্সপি এর বুটাবল সিডিটি আপনার কম্পিউটারের রমে প্রবেশ করান এবং কম্পিউটারটি পুণরায় চালু করান । কম্পিউটারটি পুনরায় চালুন সময় যখন মনিটরের নিচের দিকে Press any key to boot from CD .. লিখা দেখাবে তখন কি-বোর্ড থেকে যেকোন একটি key চাপুন। Press any key to boot from CD .. লিখাটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য থাকে । যদি তা কখনো ভুল করেন, তাহলে আবার পুনরায় কম্পিটার চালু করে চেষ্টা করতে হবে। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

Windows XP Professional Setup Screen বা page আসবে। এই সময় আপনার মাউস কাজ করবে না। সুতরাং আপনাকে অবশ্যই কি-বোর্ড ব্যবহার করে কাজ করতে হবে। Welcome page এ Enter চাপুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

31 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

Windows XP Licensing Agreement page আসলে Licensing Agreement টি পড়তে পারেন। পরের পেজ পড়ার জন্য PAGE DOWN key চাপুন। তারপর F8 key চাপুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..
41 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes
এই পেজ এ যা করতে হবে, তা হল – আপনাকে হার্ডডিক্স ড্রাইভকে ফরমেট করার জন্য ফাইল সিস্টেম পছন্দ করতে হবে। এখানে by default NTFS file system সিলেক্ট করাই থাকে। আপনার পছন্দমত  ফাইল সিস্টেম পছন্দ করুন এবং ENTER চাপুন তবে NTFS এ তে দেওয়াই উচিত কারন এতে এক্সপি দ্রুত গতী সম্পন্ন হয় । নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

এরপর উইন্ডেজ এক্সপি অটোমেটিক আপনার C: ড্রাইভের সকল তথ্য মুছে ফেলবে । এবং নতুন তথ্য কপি করবে। এরপর আপনি আপনার কম্পিউটারকে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিতে পারেন। কারন নতুন ফাইল কপি করতে Windows XP ১৫-২০ মিনিট সময় নিবে। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

এখানেই প্রথম ধাপ শেষ। কিছুক্ষন পর Windows XP নতুন ফাইল কপি করার পর, কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।

পর্ব– ২ : Continue the installation শুরু …..


Windows XP  নতুন ফাইল কপি করে পুনরায় চালু হবে । এবং installation process চলতে থাকবে। এই অবস্থান থেকে আপনি আপনার মাউস পয়েন্টার কে ব্যবহার করতে পারবেন। কিছুক্ষণ পর Regional and Language Options page প্রদর্শন করবে। default settings রেখে Next Click করুন। আপনি Regional and Language Options গুলো উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ শেষে Control Panel থেকে পরিবর্তন করতে পারবেন । নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..
9 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

আবারো Next Click করুন। এবার Your Product Key page আসবে। আপনার ক্রয়কৃত Windows XP CD এর মোড়কে যেই সিরিয়াল নম্বরটি দেয়া থাকবে সেটি ক্রমান্বয়ে রিখে দিন। চাইরে নিচের চিত্রে দৃশ্যমান সিরিয়ার নম্বরটি লিখে দিতে পারেন। প্রতি Windows XP installation এ এই সিরিয়াল নম্বর টি দিতে হবে। তারপর Next click  করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..


Computer Name and Administrator Password page আসবে। আপনার পছন্দমত একটি নাম বসিয়ে দিন। নিচের যে ঘর দুটিতে পাসওয়ার্ড এর জন্য খালি আছে সে ঘর দুটি খালি রেখেই Next click করুন। এই পাসওয়ার্ড আপনি সেটআপ শেষে Control Panel থেকে দিতে পারবেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..



এরপর Date and Time Settings page আসবে। Date and Time অটোমেটিকই সেট হয়ে থাকে। আপনাকে শুধু Time Zone টি  down arrow দিয়ে সঠিক টি নির্বাচন করে দিতে হবে। আপনাদের সুবিধার্থে Time Zone টি লিখে দিচ্ছি – (GMT -06:00) Astana Dhaka. তারপর Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

13 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

এখন Windows XP আপনার কম্পিউটারকে configuring করার জন্য দু-এক মিনিট সময় নিবে।
এরপর Networking Settings page আসবে। এখানে default setting  রেখে  Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

14 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes
এরপর Workgroup or Computer Domain page আসলে Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..15 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes
এখানেই দ্বিতীয় ধাপ শেষ। কিছুক্ষন Windows XP কনফিগারেশন কপি করবে। তারপর কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।
পর্ব – ৩ : Complete the installation শুরু …..
১৫-২০ মিনিট Windows XP কনফিগারেশন কপি করার পর কম্পিউটার পুনরায় চালু করবে।
এখানে Display Settings dialog box প্রদর্শন করবে। এখানে ok click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..16 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

তারপর Monitor Settings dialog box প্রদর্শন করবে। এখানে ok click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

17 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ এর চূড়ান্ত stage প্রদর্শন করবে। Welcome to Microsoft  Windows page প্রদর্শন করলে  Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..


Help protect your PC page আসলে Help protect my PC by turning on Automatic Updates now radio button select করে Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..
19 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes

Ready to register with Microsoft? page আসবে  No, not at this time click করেন,  Next click করেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

22 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes
Who will use this computer? page আসবে, Your Name লিখার পাশে আপনার নাম দিন। যদি আপনার কম্পিউটারে একাধিক ব্যবহারকারী থাকে তবে 2nd User, 3rd User ……… এভাবে নাম বসিয়ে দিন। তারপর Next click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..


Thank you! Page আসবে, Finish click করুন। নিচের চিত্রটি লক্ষ করুন…..

25 উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ দেয়া শিখে নিন | Techtunes
Congratulations! Windows XP setup is complete. এরপর আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুরো ক্রমান্বয়ে ইন্সটল করতে পারবেন।

ব্লক করা বা ব্যান করা ওয়েবসাইট দেখার কয়েকটি টি উপায়

ব্লক করা বা ব্যান করা সাইট ওয়েবসাইট দেখার কিছু  কার্যকরি উপায় আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব । বিভিন্ন কারনে আমরা প্রতিদিন নানা সাইট থেকে banned ম্যাসেজ দেখতে পাই । আর এ সব সাইট যদি তখন ভিজিট করা দরকারী হয় তা হলেই হল । তো এমনটি যদি হয় তা হলে আপনি নিচের পদ্ধতিগুলো ব্যবহার কর সাইটগুলো ভিজিট করতে পারবেন ।
গুগল ক্যাশ
বড় বড় সার্চ ইন্জিনগুলি যেকোন সাইটের ক্যাশ করে তাদের ডেটাবেসে সেভ করে রাখে।গুগলে সার্চ দিলে ওই
সাইটের URL ডান পাশে দেখবেন Cached নামে একটা লিংক আছে এখানে ক্লিক করে সাইটটি দেখতে পাবেন।

প্রযুক্তি বার্তা | Projukti Barta

বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ || Bangla Technology Blog.
Alexa Traffic Rank for http://probarta.com/: 456,521probarta.com/Cached
back machine এর সাহায্যে
http://www.archive.org/web/web.php এখানে গিয়ে ব্লক করা সাইটটির এড্রেস টাইপ করুন সাইট
চলে আসবে আপনার সামনে।এই way back machine গুলি প্রায় সব সাইটের শুরুর দিন থেকে শুরু করে শেষ
পর্যন্ত তথ্য ক্যাশিং এর মাধ্যমে ধরে রাখে।এখানে গিয়ে সাইটটির সর্বশেষ ভার্সনও দেখতে পারবেন।
প্রক্সি সাইট দিয়ে
নেটে প্রায় ১০০ রও বেশি প্রক্সি সাইট আছে যারা তাদের ডোমেইনের মাধ্যমে ব্লক করা সাইট দেখতে দেয়।
এই সাইটগুলিতে গিয়ে শুধু বক্সে আপনার কাংখিত সাইটের এড্রেস টাইপ করলেই সাইটটি এনে হাজির করবে
আপনার সামনে।এমন একটি প্রক্সি সাইট
www.pagewash.com
Translations সার্ভিস
আল্টাভিসতা বা গুগলের অনুবাদ সার্ভিস আছে।http://translate.google.com/#en|en| এখানে গিয়ে
ব্লক করা সাইটের নাম লিখে যেকোন এক ভাষায় অনুবাদ করুন,অনুবাদের পর  লাইনের উপরই মাউস নিয়ে
যান না কেন টুলটিপের মাধ্যমে আসল লাইনটি দেখাবে।
URL এর বদলে IP ব্যবহার করে
এটা নির্ভর করে কিভাবে সাইটগুলি ব্লক করা আছে তার উপর।মাঝে মাঝে URL লিখে সাইট ব্লক করা থাকে।যেমন(www.probarta.com বা www.facebook.com )এক্ষেত্রে URL এর বদলে
এড্রেসবারে IP টাইপ করলে কাজ হতে পারে।কোন সাইটের আইপি কি তা জানতে কমান্ড প্রম্পটে ping
করলেই বের হয়।(যেমন ping www.probarta.com )অথবা অনলাইনেও কোন ডোমেইন নামের আইপি বের করতে পারেন www.whatsmyip.org এই সাইট থেকে।
শর্ট URL সার্ভিস দিয়ে রিডাইরেকশন করে
http://moourl.com/ এখানে গিয়ে যেকোন URL টাইপ করলে সাথে সাথে এটাকে ছোট করে ফেলবে
তখন সেই এড্রেস টাইপ করলে কাজ করে।

http://probarta.com/post-id/4453

ওপেন সোর্স ভিত্তিক ১৫টি উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন

ওপেন সোর্সের যুগে উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশনগুলোর ব্যবহার ক্রমেই কমে আসছে। বর্তমানে ওপেন সোর্সের বদৌলতে ব্যবহারকারীরা অর্থের বিনিময়ে সফটওয়্যার না ক্রয় করে বরং ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের দিকে ঝুঁকছে বেশি। কারণ এসমস্ত সফটওয়্যার বিনামূল্য পাওয়া যায়। ফটোশপের মত সফটওয়্যারগুলো যেমন চড়া দামে কিনতে হয় সেখানে ফটোশপের মতই বিভিন্ন ওপেন সোর্স এডিটিং সফটওয়্যারগুলো বিনামূল্য পাওয়া যাচ্ছে। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য তাই আজ ১৫টি ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের কথা তুলে ধরব। এগুলোর অনেকগুলোই হয়ত অনেকে ব্যবহার করেছেন বা ব্যবহার করছেন।
১. 7-zip
7-zip মূলত একটি ফাইল আর্কাইভার প্রোগ্রাম। সফটওয়্যারটি দিয়ে 7z, ZIP, GZIP, BZIP2 এবংTARফরম্যাটের ফাইলগুলো প্যাকিং এবং আন-প্যাক করা সম্ভব। তাছাড়া এটি দিয়ে RAR, CAB, ISO, ARJ, LZH, CHM, Z, CPIO,RPM, DEB এবং NSIS ফরম্যাটের ফাইলগুলোও আন-প্যাক করা যায়। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ফাইল আর্কাইভার। সফটওয়্যারটির কম্প্রেশন রেটিও WinZip এর থেকেও অনেক বেশি। বর্তমানে এটি WinZip এর বিপরীতে প্রচুর ব্যবহার করা হচ্ছে।
২.  Audacity:
Audacity ওপেন সোর্স ভিত্তিক ফ্রি রেকর্ডিং এবং সাউন্ড এডিটিং সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। সফটওয়্যারটি দিয়ে সরাসরি সাউন্ড রেকর্ডিং, কনভার্টিং ও Ogg Vorbis, MP3 এবং WAV সাউন্ড ফরম্যাট ফাইলগুলোকে সহজে এডিট করা যায়। সাউন্ড জোড়া লাগানো, কাটা, সংকুচিত করা, মিক্সিং প্রভৃতি কাজ গুলো করতে সফটওয়্যারটি পারদর্শী।
৩. Blender:
3D অ্যানিমেশন তৈরীর জন্য Blender একটি মুক্ত সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি মডেলিং, UV আনর‍্যাপিং, টেক্সারিং, স্কিনিং, রিগিং, রেন্ডারিং এবং 3D অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ব্লেন্ডার এতটাই সমৃদ্ব যে একে 3D ম্যাক্স ও মায়ার সাথে তুলনা করা হয়।
৪.ClamWin:
ClamWin একটি ফ্রি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি Windows 98/Me/2000/XP তে ব্যবহার করা যায়। ClamWin কে বিভিন্ন বাণিজ্যিক অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার যেমন- নরটন, ম্যাকাফির বিকল্প হিসেবে গন্য করা হয়। সফটওয়্যারটি তার বহুবিধ ফিচার দিয়ে শক্তিশালী ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার ধরতে সক্ষম। এটি সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয় এবং মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেইল অ্যাটাচমেন্টে ভাইরাস স্ক্যান করতে সহায়তা করে।
. eMule:
eMule ওপেন সোর্স ভিত্তিক সাধারন পিয়ার-টু-পিয়ার(P2P) ফাইল শেয়ারিং টুল।
. Feedreader:
Feedreader একটি মুক্ত ডেস্কটপ আরএসএস অ্যাগ্রিগেশন টুল। সফটওয়্যারটি ডেস্কটপে আপনার প্রিয় ওয়েবসাইট থেকে সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট নামাতে সক্ষম। এটি অবিরতভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আর্টিকেল ডেস্কটপে শো করবে।
৭. Filezilla:
ফাইলজিলা একটি এফটিপি ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি FTP,SFTP,FTPS প্রটৌকলসমূহ সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করা বেশ সহজ এবং এটি নিরাপদ এফটিপি প্রটৌকল। এর অন্যতম ফিচার হল সার্ভারে আপলোড অথবা ডাউনলোড চলাকালে রিজিউম সাপোর্ট করে।
৮. Firefox:
ফায়ারফক্স বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় মুক্ত ওয়েব ব্রাউজিং প্লাটফরম। এর সাথে নতুন করে পরিচয় করে দেওয়ার কছু নেই। বর্তমানে অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন। প্রচুর অ্যাড-অনের সমাহার ব্রাউজারটিকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে তুলেছে। ইন্টারনেট এক্সপোলারের চেয়েও এটি অধিক নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের সুবিধা দেয়।
. GIMP:
GNU ইমেজ ম্যানিপুলেশন প্রোগ্রাম(GIMP)  একটি মুক্ত গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার। এটি অত্যন্ত চমৎকার একটি সফটওয়্যার যা ব্যয়বহুল ফটোশপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গিম্পে মোটামুটি ফটোশপের মতই কাজ করে এবং এতে অনেক ইমেজ এডিটিং অপশন রয়েছে।
১০. Inkscape:
ইঙ্কস্পেস মুক্ত ভেক্টর গ্রাফিক্স এডিটর সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি এতই সমৃদ্বশালী যে একে বাণিজ্যিক সফটওয়্যার তথা-Corel Draw, Adobe Illustrator, Freehand  অথবা  Xara X এর মত সফটওয়্যারের সাথে তুলনা করা হয়। নিজস্ব ফরম্যাট হিসেবে এরা Scalable Vector Graphics (SVG)  এবং XML বেস্‌ড W3C স্টান্ডার্ড ব্যবহার করে থাকে। ওয়েব ২.০ এর বাটন,লোগো,আইকোন,ব্যানার ইত্যাদি তৈরীতেও এটি ব্যবহার করা হয়।
১১. Juice:
জুস একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ভিত্তিক ক্রস-প্লাটফরম পোডকাস্ট রিসিভার অ্যাপ্লিকেশন। এটি ogg ও mp3 এর মত পোডকাস্ট মিডিয়া ফাইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়। জুস ব্যবহার করে পোডকাস্ট সিডিউল করা যায় এবং জুস আপনাকে নতুন পোডকাস্টের প্রাপ্যতা সম্পর্কে আপনাকে অবগত করবে। ডাউনলোডকৃত মিডিয়া ফাইলগুলো কপি হয়ে একটি ডিজিটাল প্লেয়ারে চলে আসে।
১২. OpenOffice.org:
জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠান স্টার অফিস নামক একটি সফটওয়্যার তৈরী করেছিল যা পরবর্তীতে সান মাক্রোসিস্টেম কিনে নেয় এবং ১৯৯৯ সালে বিনামূল্য অবমুক্ত করে। মাইক্রোসফট অফিসের মতই ফিচারগুলো ওপেন অফিসে বিদ্যমান। বর্তমানে এর বাংলা ইন্টারফেস পাওয়া যাচ্ছে। ওপেন অফিসের ডিফল্ট ফরম্যাট হল ওডিএফ। বর্তমানে এটি এতই বিস্তার লাভ করেছে যে ১১০টির অধিক ভাষায় সফটওয়্যারটি পাওয়া যাচ্ছে।
১৩. Programmers Notepad:
Programmer’s Notepad হল প্রোগ্রামাদের জন্য একটি সাধারন টেক্সট এডিটর সফটওয়্যার। কোড ফোল্ডিং, আউটলাইনিং, সিএসএস ব্যবহার করে এইচটিএমএলে এক্সপোর্ট, ওয়ার্ড র‍্যাপিং প্রভৃতি এই সফটওয়্যারটি দিয়ে করা যায়।
১৪. Sunbird:
সানবার্ড মোজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক তৈরীকৃত একটি ডেস্কটপ ক্যালেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন। সম্ভবত এটি মোজিলা টুলকিট ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে।
১৫. Thunderbird:
থান্ডারবার্ডও মোজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক তৈরীকৃত একটি ডেস্কটপ ই-মেইল অ্যাপ্লিকেশন। এটি ই-মেইল ব্যবস্থাপনাকে সহজতর ও গতিশীল করে। থান্ডারবার্ডে সহজে ইনবক্সকে ম্যনেজ করা যায়।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে কালজয়ী আরোও অনেক মুক্ত সফটওয়্যার আছে। আপনাদের কাছ থেকে মন্তব্য প্রত্যাশা করি। আপনার কাছে মুক্ত সফটওয়্যার থাকলে শেয়ার করুন সকলের সাথে। আসুন সকলে মিলে ছড়িয়ে দিই ওপেন সোর্সকে।

http://probarta.com/post-id/3634

ওয়েব সার্চিংকে সহজ ও গতিময় করার কয়েকটি কৌশল

ডাবল কোটেশন(“ ”) চিহ্ন ব্যবহার করে সার্চিং
এ চিহ্নটি ব্যবহার করে কোনো বিষয়ের কার্যকর এবং সুনির্দিষ্টভাবে সার্চ করা যায়। আপনি যে বিষয়ের উপর জানতে চান সেটি কোটেশন চিহ্নের মধ্যে রাখা হলে সার্চ ইঞ্জিন কোটেশনের পুরো লাইন বা একাংশকে খুঁজবে, সে লাইনের ভাঙা অংশ খুঁজবে না। ধরা যাক, আপনি লন্ডন মিউজিয়াম সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন সেজন্য যেকোনো সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করে, সার্চিং এর টেক্সট বক্সে “London museum” লিখে সার্চ করুন। খুব দ্রুত লন্ডন মিউজিয়াম সম্পর্কে ওয়েবপেজ পেয়ে যাবেন। লন্ডন মিউজিয়াম  সম্পর্কিত তথ্য যেসব ওয়েবসাইটে রয়েছে শুধু সেগুলোর তালিকা আপনার সামনে উপস্থিত, সেখান থেকে কাঙ্খিত সাইটে ক্লিক করে আপনার তথ্য সংগ্রহ করে নিতে পারেন।
প্লাস চিহ্ন(+) ব্যবহার করে সার্চিং
+ চিহ্ন ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন বুঝবে কোন পেইজে সেই শব্দ অবশ্যই থাকবে। অর্থাৎ কোনো বিষয়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক অন্য কোন বিষয়ের তথ্য পাওয়া যাবে। যেমন- History লিখে সার্চ করলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইতিহাস সম্পর্কিত ওয়েবসাইটের তালিকা দেখাবে। কিন্তু History+Bangladesh লিখলে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কিত ওয়েবসাইটের তালিকা প্রকাশ করবে।
মাইনাস চিহ্ন(-) ব্যবহার করে সার্চিং
এই চিহ্নটি ব্যবহার করে কোনো বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক অন্য কোন বিষয়কে(যেটা আপনার দরকার নেই) বাদ দিতে পারেন। এতে করে অপ্রাসাঙ্গিক কোন বিষয়ের বাহুল্যতা বর্জন করে দ্রুত সার্চ করা যাবে। ধরুন আপনি Health লিখে সার্চ করে অনেকগুলো স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইটের লিঙ্ক পাবেন। কিন্তু যদি শুধু মহিলাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানতে চান সেক্ষেত্রে Health – man অর্থাৎ পুরুষদের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট বাদ দিয়ে মহিলাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট প্রদর্শন করবে।
OR ব্যবহার করে সার্চিং
OR ব্যবহার করে খুব সহজেই সার্চিং করা যায়। আপনি আমেরিকা কিংবা কানাডার একটি ভালো চাকরি খুঁজছেন। সেক্ষত্রে Job America OR Canada  লিখে সার্চ করুন। আমেরিকা কিংবা কানাডার চাকরি সম্পর্কিত ওয়েবসাইট গুলো আপনার সামনে চলে আসবে।
AND ও NOT ব্যবহার করে সার্চিং
AND এর ব্যবহার অনেকটা + এর মতোই। যেমন- আপনি একই সঙ্গে প্রাণী ও উদ্ভিদ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন- তাহলে লিখুন Animals AND Plants এবার সার্চ করুন। NOT এর ব্যবহার অনেকটা – চিহ্নের মত।
গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কিওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্যবহার
কিওয়ার্ড/সিম্বল ব্যবহার ফলাফল
[+] History+Bangladesh বাংলাদেশ ও হিস্টরি শব্দ রয়েছে এমন ডকুমেন্ট খুঁজবে
[-] History-Bangladesh শুধু হিস্টরি শব্দ রয়েছে এমন সাইট দেখাবে,বাংলাদেশ নয়।
[~] ~transducer Transducer টার্মটি এমনকি এর প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দও খুঁজবে।
OR May OR June মে বা জুন এদের উভয়ই রয়েছে এমন বিষয় খুঁজবে।
Cache: Cache:http://www.yoursite.com www.yoursite.com সাইটের গুগলের ক্যাশকৃত পেইজসমূহ ফিরে আসে।
Define: Define:virus Virus শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করবে।
Site Apple site:www.food.com কেবলমাত্র www.food.com সাইটটির Apple শব্দটির মধ্যেই সার্চ সীমাবদ্ব থাকবে।
Related Related:www.greatvacations.com www.greatvacations.com সাইটটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সাইট সমূহের ফলাফল নিয়ে আসবে।
Info: Info:www.probarta.com www.probarta সাইট সম্পর্কিত যত তথ্য গুগলের রয়েছে তা উপস্থাপন করবে
গুগল সার্চ ইঞ্জিনের আর কিছু ব্যবহার
**সহজ থেকে জটিল ইকুয়েশনের জন্য গুগলের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা
সহজ থেকে জটিল ইকুয়েশনের জন্য গুগলের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা আগেই বলেছি, গুগলের সহজ সরল সাদামাটা চেহারা দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই। আপনি যখনই চান সহজ থেকে অগ্রসর পর্যায়ের হিসাব নিকাশ করার জন্য গুগল সার্চ বক্সকে ক্যালকুলেটর হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল-এর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করার জন্য খুব বেশি গাণিতিক প্রতীক ব্যবহার করতে হয় না, এ কারণে আপনি কোনো গাণিতিক ইকুয়েশনের উত্তর না খুঁজলেও সার্চ রেজাল্টের মধ্যে গাণিতিক উত্তর পেয়ে যেতে পারেন। গুগলের বিল্ট-ইন ক্যালকুলেটর ফাংশন ব্যবহার করার জন্য যে হিসাবটি করতে চান সেটি সহজসরলভাবে সার্চ বক্সের মধ্যে প্রবেশ করান। যেমন ২*২ লিখলেই গুণফলটি দেখিয়ে দেয়া হবে। অগ্রসর পর্যায় এছাড়াও নিচের তালিকায় উলেখিত বেশকিছু গাণিতিক প্রতীকও গুগল চিহ্নিত করতে পারে:
+ যোগফলের জন্য
- বিয়োগ করার জন্য
* গুণ করার জন্য
/ ভাগ করার জন্য
^ এক্সপোনেন্সিয়াল-এর জন্য (x to power of y)
% ভাগশেষ বের করার জন্য
বর্গমূল বের করার জন্য sqrt লিখে তার পেছনে সংখ্যাটি লিখতে হবে।
**গুগল ব্যবহার করে বিভিন্ন মুদ্রাকে রূপান্তর করা
বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আমাদের দেশীয় মুদ্রাকে বিদেশী বিভিন্ন মুদ্রায় রূপান্তর করার প্রয়োজন পড়ে। এই কনভারশনের কাজটি কার্যকরভাবে সারার জন্যও গুগল আপনার পাশে আছে। ধরুন ইন্টারনেটে আপনি জানলেন নতুন একটি ডেল ল্যাপটপের মূল্য ৫০০ ইউএস ডলার।
এখন জানা দরকার অন্য একটি মুদ্রায় সেটির পরিমাণ কত, তাহলে আপনাকে লিখতে হবে ৫০০ USD, তারপর লিখতে হবে in এবং তারপর ঐ মুদ্রার নাম। যদি আরব আমিরাত দিরহাম হয় তাহলে লিখবেন AED। দুর্ভাগ্যজনক হল, ভারতীয় ও পাকিস্তানী রুপীর রূপান্তর করা গেলেও আমাদের বাংলাদেশী টাকা (BDT) লিখে এটির সরাসরি উত্তর পাওয়া যায়নি, যদিও ইন্টারনেটের অন্যান্য কনভার্টার সফটওয়্যার (যেমন ইয়াহু কনভার্টার)-এর লিংক দেখানো হয়েছে।
**বিমানের ফ্লাইট সময়সূচি জানতে চাইলে
এমন হতে পারে যে আপনি বাড়িতে আছেন বা আছেন অফিসে, কিন্তু যেহেতু আপনার বিমান ধরার তাড়া আছে সেহেতু কিছু সময়ের মধ্যেই আপনাকে বিমানবন্দরের দিকে ছুটতে হবে। এসব ক্ষেত্রে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। বিমান বন্দরে আসা এবং ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইট সময়সূচি জানার জন্যও আপনি গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। গুগল সার্চ বক্সের মধ্যে এয়ারলাইন এবং ফ্লাইট নম্বর লিখুন এবং এন্টার দিন।
একটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দরে বিভিন্ন ফ্লাইটের বিলম্ব সম্বন্ধেও জানতে পারবেন। এজন্য শহরের নাম অথবা বিমানবন্দরের তিন অক্ষরের কোড নাম লিখে তারপর লিখতে হবে airport কথাটি।
**ওজন, আয়তন ইত্যাদি ইউনিট রূপান্তর
আপনি গুগল ব্যবহার করে ওজন, উচ্চতা, আয়তন ইত্যাদি ইউনিটগুলোকে একটি থেকে আরেকটিতে রূপান্তরিত করতে পারেন। আপনি যে ইউনিটকে রূপান্তরিত করতে চান সেটিকে গুগল সার্চ বক্সে প্রবেশ করান, বাকি কাজ গুগলই করবে। গুগল ইউনিট কনভার্টার গুগল ক্যালকুলেটরেরই একটি অংশ।
যে ইউনিটকে রূপান্তরিত করতে চান সেটির নাম আগে লিখে তারপর in শব্দটি লিখে সার্চ বক্সে প্রবেশ করাবেন। উদাহরণস্বরূপ, ১০০ ফুটে কয় মিটার হয় জানতে চান। সরাসরি লিখুন 100 feet in meter তারপর এন্টার চাপুন। পরিমাপের সবচেয়ে প্রচলিত একক, যেমন ওজন, তাপমাত্রা, দূরত্ব, সময়, শক্তি, মুদ্রা ইত্যাদি রূপান্তরের জন্য আপনি গুগলের এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।
**কোনো শহর বা দেশের স্থানীয় সময় জানা
গুগল সার্চ বক্স ব্যবহার করে কোনো একটি শহর বা দেশের বর্তমান সময় জানা সম্ভব। এজন্য প্রথমে টাইপ করতে হবে time, তারপর স্পেস দিয়ে শহরের নাম। ব্যস। আবার time লিখে দেশের নাম লিখলেও সেদেশের স্থানীয় সময় দেখানো হবে।
যদি কোনো দেশে একাধিক টাইম জোন তথা স্থানীয় সময় থাকে তাহলে তার সবগুলো প্রদর্শন করা হবে, প্রধান প্রধান শহরের নামসহ।
**কোনো দেশ বা শহরে মানচিত্র দেখা
আপনি কি কোনো দেশ বা শহরে নতুন? বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন কিন্তু সেদেশের ভূগোল সম্বন্ধে কিছুই জানেন না? তাহলে গুগলের শরণাপন্ন হোন। ঐ দেশ বা শহরটির নাম লিখুন, তারপর একটা স্পেস দিয়ে লিখুন map কথাটি। তাহলেই সার্চ রেজাল্টের শুরুতেই ঐ দেশ বা শহরের একটি প্রমাণ সাইজের মানচিত্র দেখানো হবে।
ঐ মানচিত্রে ক্লিক করলেই গুগল ম্যাপস সেটির একটি বড় ও বিস্তৃত ভারসন দেখানো হবে।

http://probarta.com/post-id/3781

কিভাবে বুঝবেন আপনার পাঠানো মেইল প্রাপক পড়েছে কিনা

আপনি কাউকে মেইল করেছেন, সেই মেইলটি প্রাপক পড়েছে কিনা তা স্বাভাবিকভাবে জানার উপায় নেই। এমন কোন পদ্ধতি যদি থাকতো যে মেইল পড়ার সাথে সাথে আপনি জানতে পারবেন তাহলে কেমন হতো! ‘স্পাই পিগ’ দ্বারা এমনই সুবিধা পাওয়া যাবে।
ধাপ১) এজন্য www.spypig.com এ আপনার মেইল ঠিকানা দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
ধাপ২) বাম পাশের প্যানেলে MySpyPig Factory এ ক্লিক করে Your email address এ আপনার মেইল ঠিকানা (যে ঠিকানাতে মেইল পড়ার তথ্য জনতে চান)।
ধাপ৩) Your message title এ মেইল শিরোনাম দিন।
ধাপ৪) Select your SpyPig tracking image এ ছবি নির্বাচন করুন। এই ছবিটিই মেইল পড়ার বিষয়টি ট্রেকিং করবে, যা মেইলের সাথে মেইল করে পাঠাতে হবে। আপনার চাইলে আপনার পছন্দের ছবি যুক্ত করতে পারেন।
ধাপ৫) Click to Create My SpyPig বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৬) এখন ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে নিচের ছবিটি কপি করে আপনার মেইলে অথবা মেইল সিগনেচারে পেষ্ট করুন।
এবার আপনি কাউকে মেইল পাঠালে প্রাপক মেইল পড়ার সাথে সাথে SpyPig Notification নামে একটি মেইল আসবে। এই মেইলটিতে প্রাপকের মেইলটি পড়ার সময়, প্রাপকের অবস্থান, কতবার পড়েছে (সর্বোচ্চ ৫বার), প্রাপকের আইপি এবং অ্যাপলিকেশনের (ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেম) তথ্য আসবে।
http://www.shamokaldarpon.com/?p=2733

বাংলাদেশি ৪৩টি ব্যাংকের ওয়েবসাইট

Tuesday, 14 June 2011
অনেক সময় দেখা যায় কনো একটা কারনে একটি ব্যাংকের সম্বন্ধে আমাদের জানতে ইচ্ছে করে বা দরকার হয়ে থাকে। তখন আবার ভারা খরচ করে সেই ব্যাংকে যেতে হয় অপেক্ষার লাইনে দারিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। যাওয়া আসার মেলা সময় আমাদের নষ্ট হয়ে থাকে। তাই খুব সহজে ঘরে অথবা সাইবার ক্যাফে বসেই আমরা বাংলা ব্যংক গুলোর ঘাটাঘাটি করে জেনে নিতে পারি আমাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে। তাই সংগ্রহে রেখে দিতে পারেন বাংলাদেশের সব গুলো ব্যাংকের লিস্ট আপনার পিসিতে। বলা ত যায়না কখন কনটা কাজে লাগতে পারে।
  1. AB Bank
  2. Agrani Bank
  3. Al-Arafa Islami Bank
  4. Asian Development Bank
  5. Bangladesh Bank
  6. Bangladesh Commerce Bank
  7. Bank Asia
  8. BASIC Bank
  9. Brac Bank
  10. CitiBank-N.A.
  11. City Bank-BD
  12. Dhaka Bank
  13. Dutch-Bangla Bank
  14. Eastern Bank
  15. Exim Bank
  16. First Security Bank
  17. Grameen Bank
  18. HSBC Bangladesh
  19. IFIC Bank
  20. Islami Bank
  21. Janata Bank
  22. Jamuna Bank
  23. Krishi Bank
  24. Mercantile Bank
  25. Mutual Trust Bank
  26. National Bank
  27. NCC Bank
  28. One Bank
  29. Oriental Bank
  30. Prime Bank
  31. Premier Bank
  32. Pubali Bank
  33. Rupali Bank
  34. Shahjalal Islami Bank
  35. Social Investment Bank
  36. Sonali Bank-BD
  37. Sonali Bank-UK
  38. South East Bank
  39. Standard Bank Ltd
  40. Standard Chartered Bank
  41. United Comercial Bank
  42. Uttara Bank
  43. World Bank-BD

কিভাবে মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox) কে ব্যাকআপ রাখবেন?

Wednesday, 8 June 2011



নতুন করে OS (Operating System) দিলে ফায়ারফক্স কে আগের মতো সজাতে অনেক বেগ পেতে হয়, না হলে অন্য সফটওয়ার এর সাহায্য নিতে হয় । তারপর কিছু কমতি রয়েই যায়।
আমি যেভাবে কোন সফটওয়ার ছাড়া ব্যাকআপ রাখি ,
প্রথম ফায়ারফক্স ওপেন করুন , Help মেনু থেকে “Troubleshooting Information” ক্লিক করুন , Troubleshooting Information উইন্ডো আসবে , এখানে আপনার ফায়ারফক্স এর সাধারন তথ্য পাবেন । “Profile Directory” পাশে “Open Containing Folder” বাটন এ ক্লিক করুন, নতুন একটি ফোল্ডার ওপেন হবে, আর এ ফোল্ডার এ যাকিছু আছে তাই আপনার ফায়ারফক্স এর যাবতিয়  অ্যাড অন্স, বুক মার্কস, কুকিস এমন কি আপনার ব্যক্তিগত সব ধরনের তথ্য ।
এই ফোল্ডার এর সব কিছু আন্য কোথাও সেভ করে রাখুন, এটাই আমার ব্যাকআপ । আবার যখন ফায়ারফক্স নতুন করে ইন্সটল দেবেন অথবা ফায়ারফক্স এ ঝামেলা হলে “Profile Directory” সব কিছু ডিলিট করে ব্যাকআপ এর সব ফাইল এখানে পেস্ট করে দিলেই আবার আগের মত ফায়ারফক্স কে ফিরে পাওয়া যাবে ।





http://probarta.com/post-id/4924