আসুন কিছু প্রশ্ন দেখি যা সচরাচর ই আমাদের কানে আসে -
এগুলা সব ছোট বড় সবার কাছ থেকে শুনা কথা গুলা। সব মনে নাই থাকলে লিখে দিতাম। যদি মনে পরে আপডেট করে দিবো। আর সব কথা গুলা আমাকে বলে নাই। কিছু কিছু অন্যের কাছে বলছে। আমি ছিলাম সেখানে। লেখার মূল উদ্দেশ্যে টা পরে বলি। আগে এই প্রশ্ন/মন্তব্য গুলার উত্তর দেই। স্বাভাবিক কিছু উত্তর। এগুলা গাইডলাইন না।
লেখাটা পড়ে হয়তো কেউ গালি ও দিতে পারে কেউ ধন্যবাদ ও দিতে পারে। এটা অবশ্য আমার মাথা ব্যাথা ও না। যদি কারো বিন্দুপরিমান ও উপকার হয় তাতেই হবে।আমার অজান্তে হলেই সব চেয়ে খুশি হবো।
উত্তরঃ একঃ পারবা কেমনে ?? এই কথা তো ৬ মাস আগে ও শুনছি তুমি কিছু পারো না । এই ছয় মাস মাসে খাইছো আর ঘুমাইছো। আর ২ দিন পর পর বলছো "আমার কাজ করতে ইচ্ছা করে; কিন্তু কি করি ?? কিছু তো পারি না" "আমার কাজ করতে ইচ্ছা করে; কিন্তু কি করি ?? কিছু তো পারি না" , এটা না বলে ২/৩ টা জিনিস ঠিক করে কি কিছু শুরু করা যেত না ?? কিছু না হোক ২ কলম জানা হতো। সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য যদি হয়ে যায় টাকা তাহলে আমার মনে হয় এই কথা টা পাচ বছর পরও আমি তোমার মুখ শুনবো।
উত্তরঃদুইঃ শিখো মানা করছে কে? হা হুতাশ করার কি আছে ? হা হুতাশ করতে করতেই তো এতোদিন পার করছো। এইবার একটু জ্ঞান নাও। কিছু করো যা এখন যেমন লাগবে ভবিষ্যতে ও লাগবে। কিছু একটা করা দরকার তুমি বুজো , আর একজনরে বুজাও ও কিন্তু নিজেই কিছু করো না। এইভাবে কদ্দিন ??
উত্তরঃ তিনঃ ভাই/বোন , মুভি তো আমি ও দেখি, আমার গুরু ও দেখে। তোর থেইয়া না হয় দুইডা কম ই দেখছি। তোরে আমার কিছু কওয়ার নাই। তুই মুভি দেখ। আর সিরিয়াস বিষয় নিয়া ভাব। আবার দুইদিন ঝিম মারার পর মুভি দেখা শুরু কর।
উত্তরঃ চারঃ সেটাই। সময় থেমে আছে। আজ কিছু করলে ২/৩ বছর পর পড়াশোনা শেষ করে কি করবা? ভার্সিটি লাইফ যদি এনজয় ই না করতেই পারলাম !!!!
উত্তরঃপাঁচ/ছয়ঃ অনেক কিছুই করতে হবে। আসলে কি করবো আমরা, সেটা শিখা এবং করা টা যতটা না জরুরী। তার থেকে বেশি জরুরী মনে হয় এটাই যে আসলে আমরা কি করবো। আমরা কিভাবে ঠিক করবো যে আমরা ২ দিন পর কি করবো অথবা আমাদের ক্যারিয়ার টা কি হবে।
কিছু বক্তব্য এই ব্যাপারেঃ বড় থেকে শুরু করি। আমরা অনেকে আইটি ফ্যাকাল্টিতে পরি খুবই স্বাভাবিক ভাবে আমাদের ক্যারিয়ার আইটি মুখী হবে।আর যারা পড়ি না তাদের সংখ্যাও এখন নেহায়েত কম না যারা চান তাদের কর্মজীবন ও এই মুখী করতে। আমাদের দিক বিবেচনা করলে কত সেক্টর আছে নিজেকে তুলে ধরার তা বলে শেষ করা যাবে না। প্রতিদিন ই নিত্যনতুন জব সেকশন তৈরী হচ্ছে। যে কোন একদিকে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারলে কর্মজীবনে তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না। তবে এখানে যেটা অব্যশই বলা দরকার তা হলো, যা হাতের কাছে পাবো তা ভালো না লাগলে ও অন্তত একবার ঘেটে দেখবো এমন মনোভাব থাকা উচিত। তুমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। কিন্তু আজ তোমার খুবই ক্লোজ ফ্রেন্ড কি সব হিবিজিবি কোডিং ফোডিং পারে। তোমার দেখা উচিত আসলে সে কি করে। তেমনি যে হিবিজিবি কোডিং ফোডিং পারে তার ও দেখা উচিত যে তুমি যখন গ্রাফিক্সের কিছু করো সেটা কিভাবে করো। শিখার/দেখার/অন্য যা কিছুই জন্য ই হোক না কেন দেখাটা আমাদের অবশ্য করনীয়। হয়তো কোনদিন একদিন সেটাই তোমাকে অনেক বড় একটা সাফল্য পেতে সহযোগিতা করবে। আর এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা কোন একটা ফিক্স কাজে একপার্ট হলে ও আসলে আমরা কিন্তু আসলে নিশ্চিত নই যে পরর্বতীতে আমরা কি করবো। দেখা গেলো , তুমি সারা লাইফ করে আসলে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির কাজ এখন তোমাকে করা লাগতে পারে ওয়েব এর কাজ। এটা খুবই ব্যতিক্রম কিছু না। ক্যারিয়ারে সার্থে তখন হয়তো তোমাকে ওটা ও করা লাগতে পারে। কিন্তু যেটা তোমার ভালো লাগে না যেটা করে মন থেকে শান্তি পাও না। তা থেকে বিরত থাকাই ভালো। জীবনে টাকা টাই সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন ইলিমেন্ট না।
কি হবো সেটা কিভাবে ঠিক করবো ? এটা ঠিক করার যদি একটা উপায় পাওয়া যেত কতই না ভালো হতো , তাই না ? দেখি চেষ্টা করে একটা উপায় দিতে পারি কিনা।

প্রথমেই সব গুলো জিনিস একটু ঘেটে দেখি। আসলে আছে কি এই প্রযুক্তি/ওয়েব এই জিনিসগুলার মধ্যে। এক নং এ যেটাই সবার মাথায় আসে সেটা হলো গ্রাফিক্স/এসইও/প্রোগ্রামিং ; এসব একজনের জন্যে নিম্ম মানের থেকে সর্বোচ্চমানের কাজের হাতিয়ার। রড না কিনে বিল্ডিং বানানোর কথা চিন্তা করা যেমন বোকামি তেমনি কিছু না জেনে কাজ করার কথা চিন্তা করার ও গাধামির সমতুল্য।[আমার মনে হয় এটা কেউ চিন্তা করে ও না ,
]
নিজেকে একজন প্রোগ্রামার / সফটওয়্যার ডেভলপার হিসেবে দেখতে চাইলে সি দেখে শুরু করে জাভা, সি++, সি শার্প, পিএইচপি, পাইথন, পার্ল , রুবি এইসব নানা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে দক্ষ হওয়া জরুরী। বিগিনার হিসেবে সি, জাভা, পিএইচপি। এই তিনটি ল্যাঙ্গুয়েজ এ দক্ষ হওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই। এখানে বিগিনার বলতে অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই এই তিনটি ল্যাঙ্গুইয়েজে দক্ষ হতেই হবে।তবে কেউ যদি কোন একটি ল্যাঙ্গুয়েজে অত্যন্ত দক্ষ হতে চায়। এবং শুধু সেটি নিয়েই পরে থাকতে চায়। সেটা ও সমস্যা হবে না বলে আমি মনে করি।
এবার আসি কিভাবে শিখবো এই সব এসইও/ প্রোগামিং/ডিজাইনিং। আমরা এখন জানি না আমরা কিভাবে শিখবো। সবসময় চিন্তা করে যাই কেউ এসে আমাকে দেখাবে , কেউ আমাকে গাইডলাইন দিবে, কেউ আমাকে দিনের পর দিন সব আমাকে হাতে কলমে ধরিয়ে ধরিয়ে দেখাবে। যারা এটা ভাবে তারা বোকার সর্গে বাস করে। এমন কাউকে যদি সে পায় সেটা বোনাস এবং পেলে সেটা কাজে লাগাতে হবে। কিন্তু কাউকে না পেলে আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকি, আমার এতো ই অলস। যদি ব্যাপার টা এমন ই হতো তাহলে প্রথম বলে শব্দটা থাকতো না। আমার একজন প্রিয় ব্যক্তি হাসিন হায়দার।একটা প্রশ্নের জবাবে কি উওর দেয় সেটা শুনি আসুন। উল্লেখ্য তিনিই বাংলাদেশে প্রথম Zend Certified ইঞ্জিনিয়ার।
আসল পথ থেকে অনেক দূর চলে গেলাম। কি হবো সেটা কিভাবে ঠিক করবো বলার কথা। প্রোগামিং নিয়ে কথা হলো। সবাইকে দিয়ে প্রোগ্রামিং হবে এমন কোন কথা নাই। তবে বেসিক প্রোগ্রামিং না জানলে এই সেক্টরে জব সেকশন খুবই সীমিত হয়ে যাবে তোমার জন্য। যেমনঃ তুমি পারবেনা ওয়েব ডিজাইনার হতে, ওয়েব এপ্লিকেশন বানাতে, ডেস্কটপ এপ্লিকেশন বানাতে, পারবেননা ডাটাবেজ/নেটওয়ার্কিংয়ের অনেক কাজ করতে। তাই কম বেশি এটা সবার একদিন না একদিন জানতে ই হবে।
এখন দেখি কি আছে প্রোগ্রামিং ছাড়া। বর্তমান বিশ্বের বড় একটি মার্কেটপ্লেস দখল করে আছে 2D/3D এনিমেশন প্লাটফর্ম। অথচ আমাদের বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে ভালো কোন এনিমেটর নাই যে বিশ্বেমানের এনিমেশন কার্টুন/মুভি আমাদের জাতি কে উপহার দিবে। এতো হতভাগা আমরা।
এছাড়া আছে নরনাম গ্রাফিক্সের সেক্টর। যতদিন ডেস্কটপ আর ওয়েব আছে , গ্রাফিক্স ছাড়া তারা অচল। নরমাল গ্রাফিক্সে ডিজাইন ছাড়াও আছে বিভিন্ন অডিও প্রোডাশন, ভিডিও প্রোডাকশনের কাজ, আছে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনিক্যাল ডিজানিংয়ের কাজ।
আর কোন কিছু বলবো না আজ। এই প্রোগামিং , এনিমেশন গ্রাফিক্স, এবং নরলাম গ্রাফিক্সে ই শতশত শাখা প্রশাখা ছরিয়ে আছে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য। যেটার জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে হয় সেটা নিয়ে আজ ই যাপিয়ে পরা উচিত আমাদের। যদি ২ টা কেই ভালো লাগে। ২ টা নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত। পরবর্তিতে যেটাকে নিজের যোগ্য অথবা ক্রিয়েটিভিটি পাবেন সেটাকেই আকড়ে ধরুন।আর, আগেই বলেছি , ক্যারিয়ার কখন কোন দিকে মোড় নিবে বোঝা দায়।
সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন কথা যেটা, উদ্দ্যেম ধরে রাখুন, আজ হঠাৎ কি মনে হলো, কিছু জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে কিছু জিনিস জানলাম , কাল ও সেটা করুন। বন্ধ করে দিবেন না। আপনার সফলতায় ভাটা পরবেই। সোনার হরিন এর জন্য তো একটু ধর্য্য ধরতেই হবে। হোন না ব্যর্থ, আবার জেগে উঠুন। ব্যর্থতাকে পুজি করে সামনের দিক ঠিক করুন।
সকলের সকল দিকে সফলতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি।
From
- আমার কাজ করতে ইচ্ছা করে; কিন্তু কি করি ?? কিছু তো পারি না।
- ভাবতেছি কাজ শিখবো; কিছু একটা করা দরকার।
- দূর এসব কাজ ফাজ করে কি হবে। মুভি দেইখ্যা কূল পাইনা।
- শিখবো শিখবো ; সময় তো চলে যাচ্ছে না।
- আরে দূর এতো ইঙ্কাম দিয়া কি হবে ?? আমার জন্য এসব না।
- আচ্ছা আমাকে কি কি করতে হবে। একটু বলে দিলে ভালো হতো।
- আমি কি করবো কিছু বুজি না।
এগুলা সব ছোট বড় সবার কাছ থেকে শুনা কথা গুলা। সব মনে নাই থাকলে লিখে দিতাম। যদি মনে পরে আপডেট করে দিবো। আর সব কথা গুলা আমাকে বলে নাই। কিছু কিছু অন্যের কাছে বলছে। আমি ছিলাম সেখানে। লেখার মূল উদ্দেশ্যে টা পরে বলি। আগে এই প্রশ্ন/মন্তব্য গুলার উত্তর দেই। স্বাভাবিক কিছু উত্তর। এগুলা গাইডলাইন না।
লেখাটা পড়ে হয়তো কেউ গালি ও দিতে পারে কেউ ধন্যবাদ ও দিতে পারে। এটা অবশ্য আমার মাথা ব্যাথা ও না। যদি কারো বিন্দুপরিমান ও উপকার হয় তাতেই হবে।আমার অজান্তে হলেই সব চেয়ে খুশি হবো।
উত্তরঃ একঃ পারবা কেমনে ?? এই কথা তো ৬ মাস আগে ও শুনছি তুমি কিছু পারো না । এই ছয় মাস মাসে খাইছো আর ঘুমাইছো। আর ২ দিন পর পর বলছো "আমার কাজ করতে ইচ্ছা করে; কিন্তু কি করি ?? কিছু তো পারি না" "আমার কাজ করতে ইচ্ছা করে; কিন্তু কি করি ?? কিছু তো পারি না" , এটা না বলে ২/৩ টা জিনিস ঠিক করে কি কিছু শুরু করা যেত না ?? কিছু না হোক ২ কলম জানা হতো। সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য যদি হয়ে যায় টাকা তাহলে আমার মনে হয় এই কথা টা পাচ বছর পরও আমি তোমার মুখ শুনবো।
উত্তরঃদুইঃ শিখো মানা করছে কে? হা হুতাশ করার কি আছে ? হা হুতাশ করতে করতেই তো এতোদিন পার করছো। এইবার একটু জ্ঞান নাও। কিছু করো যা এখন যেমন লাগবে ভবিষ্যতে ও লাগবে। কিছু একটা করা দরকার তুমি বুজো , আর একজনরে বুজাও ও কিন্তু নিজেই কিছু করো না। এইভাবে কদ্দিন ??
উত্তরঃ তিনঃ ভাই/বোন , মুভি তো আমি ও দেখি, আমার গুরু ও দেখে। তোর থেইয়া না হয় দুইডা কম ই দেখছি। তোরে আমার কিছু কওয়ার নাই। তুই মুভি দেখ। আর সিরিয়াস বিষয় নিয়া ভাব। আবার দুইদিন ঝিম মারার পর মুভি দেখা শুরু কর।
উত্তরঃ চারঃ সেটাই। সময় থেমে আছে। আজ কিছু করলে ২/৩ বছর পর পড়াশোনা শেষ করে কি করবা? ভার্সিটি লাইফ যদি এনজয় ই না করতেই পারলাম !!!!
এটা কারা বলে ? যদি হও তুই দুলাল, তোর বাপের নাম হয় আলাল। তুই তাইলে ক। আর যদি তা না হোস তাইলে কপালে দুঃখ আছে। আর কিছু কইলাম না।উত্তরঃপাচঃ ডার্লিংরে তো গিফট দাও ঠিক ই হাজার টাকার। এতো ইঙ্কাম দিয়া তোমার কাম কি।বাপ আছে না। তবে তোমার দ্বারা হবে একদিন। তবে অনেক কিছু হারানোর পর। তখন দীর্ঘনিশ্বাস শুনানোর জন্য ও লোক পাইবা না।
উত্তরঃপাঁচ/ছয়ঃ অনেক কিছুই করতে হবে। আসলে কি করবো আমরা, সেটা শিখা এবং করা টা যতটা না জরুরী। তার থেকে বেশি জরুরী মনে হয় এটাই যে আসলে আমরা কি করবো। আমরা কিভাবে ঠিক করবো যে আমরা ২ দিন পর কি করবো অথবা আমাদের ক্যারিয়ার টা কি হবে।
কিছু বক্তব্য এই ব্যাপারেঃ বড় থেকে শুরু করি। আমরা অনেকে আইটি ফ্যাকাল্টিতে পরি খুবই স্বাভাবিক ভাবে আমাদের ক্যারিয়ার আইটি মুখী হবে।আর যারা পড়ি না তাদের সংখ্যাও এখন নেহায়েত কম না যারা চান তাদের কর্মজীবন ও এই মুখী করতে। আমাদের দিক বিবেচনা করলে কত সেক্টর আছে নিজেকে তুলে ধরার তা বলে শেষ করা যাবে না। প্রতিদিন ই নিত্যনতুন জব সেকশন তৈরী হচ্ছে। যে কোন একদিকে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারলে কর্মজীবনে তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না। তবে এখানে যেটা অব্যশই বলা দরকার তা হলো, যা হাতের কাছে পাবো তা ভালো না লাগলে ও অন্তত একবার ঘেটে দেখবো এমন মনোভাব থাকা উচিত। তুমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। কিন্তু আজ তোমার খুবই ক্লোজ ফ্রেন্ড কি সব হিবিজিবি কোডিং ফোডিং পারে। তোমার দেখা উচিত আসলে সে কি করে। তেমনি যে হিবিজিবি কোডিং ফোডিং পারে তার ও দেখা উচিত যে তুমি যখন গ্রাফিক্সের কিছু করো সেটা কিভাবে করো। শিখার/দেখার/অন্য যা কিছুই জন্য ই হোক না কেন দেখাটা আমাদের অবশ্য করনীয়। হয়তো কোনদিন একদিন সেটাই তোমাকে অনেক বড় একটা সাফল্য পেতে সহযোগিতা করবে। আর এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা কোন একটা ফিক্স কাজে একপার্ট হলে ও আসলে আমরা কিন্তু আসলে নিশ্চিত নই যে পরর্বতীতে আমরা কি করবো। দেখা গেলো , তুমি সারা লাইফ করে আসলে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির কাজ এখন তোমাকে করা লাগতে পারে ওয়েব এর কাজ। এটা খুবই ব্যতিক্রম কিছু না। ক্যারিয়ারে সার্থে তখন হয়তো তোমাকে ওটা ও করা লাগতে পারে। কিন্তু যেটা তোমার ভালো লাগে না যেটা করে মন থেকে শান্তি পাও না। তা থেকে বিরত থাকাই ভালো। জীবনে টাকা টাই সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন ইলিমেন্ট না।
একজন সফল ব্যক্তির একটি উক্তি মনে পড়লোঃ "বড়দের ভাষ্যমতে জীবনে অনেক সময় নষ্ট করেছি, বস্তুত নিজের মনের মত করে চলেছি। হয়তো এতদিনে ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমাতে পারতাম, কিন্তু সেই কোটি কোটি টাকা কি আমার নিজের মত করে পার করা আনন্দময় জীবনটা ফেরত দিতে পারতো? কেউ কোটি কোটি টাকার পেছনে ছুটে জীবন পার করেও যে বস্তুটার সন্ধান পায় না সেটা যদি আমি এমনিতেই পাই তাহলে কি দরকার এত কষ্ট করার? বাকীটা জীবনও নিজের মতই কাটাবো... চোখ বন্ধ করলেই যেটা পাই সেটার জন্য হন্যে হয়ে ঘোরার কোন মানে হয় না।"এবার কিছু ফাউল কথাঃ
কি হবো সেটা কিভাবে ঠিক করবো ? এটা ঠিক করার যদি একটা উপায় পাওয়া যেত কতই না ভালো হতো , তাই না ? দেখি চেষ্টা করে একটা উপায় দিতে পারি কিনা।

প্রথমেই সব গুলো জিনিস একটু ঘেটে দেখি। আসলে আছে কি এই প্রযুক্তি/ওয়েব এই জিনিসগুলার মধ্যে। এক নং এ যেটাই সবার মাথায় আসে সেটা হলো গ্রাফিক্স/এসইও/প্রোগ্রামিং ; এসব একজনের জন্যে নিম্ম মানের থেকে সর্বোচ্চমানের কাজের হাতিয়ার। রড না কিনে বিল্ডিং বানানোর কথা চিন্তা করা যেমন বোকামি তেমনি কিছু না জেনে কাজ করার কথা চিন্তা করার ও গাধামির সমতুল্য।[আমার মনে হয় এটা কেউ চিন্তা করে ও না ,
নিজেকে একজন প্রোগ্রামার / সফটওয়্যার ডেভলপার হিসেবে দেখতে চাইলে সি দেখে শুরু করে জাভা, সি++, সি শার্প, পিএইচপি, পাইথন, পার্ল , রুবি এইসব নানা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে দক্ষ হওয়া জরুরী। বিগিনার হিসেবে সি, জাভা, পিএইচপি। এই তিনটি ল্যাঙ্গুয়েজ এ দক্ষ হওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই। এখানে বিগিনার বলতে অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই এই তিনটি ল্যাঙ্গুইয়েজে দক্ষ হতেই হবে।তবে কেউ যদি কোন একটি ল্যাঙ্গুয়েজে অত্যন্ত দক্ষ হতে চায়। এবং শুধু সেটি নিয়েই পরে থাকতে চায়। সেটা ও সমস্যা হবে না বলে আমি মনে করি।
এবার আসি কিভাবে শিখবো এই সব এসইও/ প্রোগামিং/ডিজাইনিং। আমরা এখন জানি না আমরা কিভাবে শিখবো। সবসময় চিন্তা করে যাই কেউ এসে আমাকে দেখাবে , কেউ আমাকে গাইডলাইন দিবে, কেউ আমাকে দিনের পর দিন সব আমাকে হাতে কলমে ধরিয়ে ধরিয়ে দেখাবে। যারা এটা ভাবে তারা বোকার সর্গে বাস করে। এমন কাউকে যদি সে পায় সেটা বোনাস এবং পেলে সেটা কাজে লাগাতে হবে। কিন্তু কাউকে না পেলে আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকি, আমার এতো ই অলস। যদি ব্যাপার টা এমন ই হতো তাহলে প্রথম বলে শব্দটা থাকতো না। আমার একজন প্রিয় ব্যক্তি হাসিন হায়দার।একটা প্রশ্নের জবাবে কি উওর দেয় সেটা শুনি আসুন। উল্লেখ্য তিনিই বাংলাদেশে প্রথম Zend Certified ইঞ্জিনিয়ার।
আপনি তো বাংলাদেশের প্রথম ZCE (Zend Certified Engineer ), আপনার ZCE হওয়ার গল্পটা শুনতে চাই?কি বোঝলাম? আসলে ইচ্ছাটাই বড় ব্যাপার। প্রকৃত ইচ্ছা থাকলে অনেক কিছুই তুমি পাবে। বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। কথা টা শুনতে কান এমন পচা পচছে যে এখন এই কথা কেউ বললে তা কানের এস্টেশিয়ান টিউব পর্যন্ত আর পৌঁছে না। আগে ই নাভার্স সিস্টম থেকে আউট হয়ে যায়। কিন্তু এটাই বাস্তব সত্য যে জানার শিখার জন্য বই এর মতো বন্ধু আর নাই। কি শিখবে তুমি? Html ?? না CSS ?? না JavaScript ?? একটা বই কিনে ফেলো না। যদি নেটে থেকে সার্চ করে পড়তে এতো ই কষ্ট হয় তোমার। বই কিনে কেউ কোনদিন দেউলিয়া হয় না। এটা নিশ্চয় মনে করিয়ে দিতে হবে না। বই কিনার অর্থ নিশ্চয় সবার আছে। আর যার নাই সে বড় / ছোট/ বন্ধু কারো কাছে না কারো কাছে একটা বই পাবেই না হলে ই বুক। একটা না একটা হবেই। যদি তার শিখার বিন্দুমাত্র আগ্রহ থাকে।
হাসিন হায়দার: আমি যখন ZCE হওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম তখন এই বিষয়ে রিসোর্স খুজে পাওয়া অনেক কষ্টের ছিল । এবং মানুষজন এমনভাবে তাকাতো যেন আমি ভীনগ্রহের কোন এলিয়েন ! অনেক খোজাখোজির পর নেট থেকে এই বিষয়ের কিছু বই পেলাম এবং সিদ্ধান্ত নিলাম পরীক্ষাটা দেয়ার । তিন চার মাসের বেতনের টাকা জমিয়ে পরীক্ষার ফি জোগাড় করলাম । তখন আমি একটা চাকরি করছিলাম এবং ওটাই আমার একমাত্র আয়ের উৎস ছিল । উপার্জনটা কষ্টের ছিল এবং ফেল করার ভার বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না । তাই আমি অনেক desperate ছিলাম । আর কোন কিছুতে প্রথম হওয়ার আনন্দের ব্যাপারটাও মাথায় ছিল । দেশে তখন কেউ ZCE ছিল না এবং এটা আমার কাজে ব্যবহৃত টুল PHP এর সাথেও সামন্জস্যপূর্ণ ছিল । তাই আমি ZCE পরীক্ষায় অংশ নিলাম । [সংগ্রহীত]
আসল পথ থেকে অনেক দূর চলে গেলাম। কি হবো সেটা কিভাবে ঠিক করবো বলার কথা। প্রোগামিং নিয়ে কথা হলো। সবাইকে দিয়ে প্রোগ্রামিং হবে এমন কোন কথা নাই। তবে বেসিক প্রোগ্রামিং না জানলে এই সেক্টরে জব সেকশন খুবই সীমিত হয়ে যাবে তোমার জন্য। যেমনঃ তুমি পারবেনা ওয়েব ডিজাইনার হতে, ওয়েব এপ্লিকেশন বানাতে, ডেস্কটপ এপ্লিকেশন বানাতে, পারবেননা ডাটাবেজ/নেটওয়ার্কিংয়ের অনেক কাজ করতে। তাই কম বেশি এটা সবার একদিন না একদিন জানতে ই হবে।
এখন দেখি কি আছে প্রোগ্রামিং ছাড়া। বর্তমান বিশ্বের বড় একটি মার্কেটপ্লেস দখল করে আছে 2D/3D এনিমেশন প্লাটফর্ম। অথচ আমাদের বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে ভালো কোন এনিমেটর নাই যে বিশ্বেমানের এনিমেশন কার্টুন/মুভি আমাদের জাতি কে উপহার দিবে। এতো হতভাগা আমরা।
এছাড়া আছে নরনাম গ্রাফিক্সের সেক্টর। যতদিন ডেস্কটপ আর ওয়েব আছে , গ্রাফিক্স ছাড়া তারা অচল। নরমাল গ্রাফিক্সে ডিজাইন ছাড়াও আছে বিভিন্ন অডিও প্রোডাশন, ভিডিও প্রোডাকশনের কাজ, আছে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনিক্যাল ডিজানিংয়ের কাজ।
আর কোন কিছু বলবো না আজ। এই প্রোগামিং , এনিমেশন গ্রাফিক্স, এবং নরলাম গ্রাফিক্সে ই শতশত শাখা প্রশাখা ছরিয়ে আছে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য। যেটার জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে হয় সেটা নিয়ে আজ ই যাপিয়ে পরা উচিত আমাদের। যদি ২ টা কেই ভালো লাগে। ২ টা নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত। পরবর্তিতে যেটাকে নিজের যোগ্য অথবা ক্রিয়েটিভিটি পাবেন সেটাকেই আকড়ে ধরুন।আর, আগেই বলেছি , ক্যারিয়ার কখন কোন দিকে মোড় নিবে বোঝা দায়।
সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন কথা যেটা, উদ্দ্যেম ধরে রাখুন, আজ হঠাৎ কি মনে হলো, কিছু জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে কিছু জিনিস জানলাম , কাল ও সেটা করুন। বন্ধ করে দিবেন না। আপনার সফলতায় ভাটা পরবেই। সোনার হরিন এর জন্য তো একটু ধর্য্য ধরতেই হবে। হোন না ব্যর্থ, আবার জেগে উঠুন। ব্যর্থতাকে পুজি করে সামনের দিক ঠিক করুন।
সকলের সকল দিকে সফলতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি।
From
0 comments:
Post a Comment