২৫টি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব ডিজাইন টুলস

Thursday, 23 February 2012

বর্তমানে ইন্টারনেটে সার্চ করলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর অনেক টুলস খুঁজে পাওয়া যায়। যা আপনাকে আপনার ডিজাইনের কাজকে সহজ এবং গতিময় করে তুলতে সক্ষম। সাথে নিত্য নতুন তো প্রতিনিয়তই আসছে। বলা চলে প্রতিটি ডিজাইনারই তার কাজে সুবিধার্থে পছন্দমত টুলস গুলো বাছাই করে নেয়। …
আপনিও কি তাই করেছেন? যদি না করে থাকেন তবে আজই নিচের ২৫টি টুলস থেকে আপনার পছন্দের গুলো বাছাই করুন…

১. HTML Entity Character Lookup:

এই টুলসটি আপনাকে এইচটিএমএল এনটিটি গুলো খুজেঁ বের করতে দ্রুত সহায়তা করবে এবং এটি কত রকম তা দেখতে সহায়তা করবে। উদাহরণ স্বরূপঃ সাইটটিতে গিয়ে HTML Entity Lookup এ < অথবা c লিখে দেখুন।

২. Blueprint CSS framework

আপনি যদি আপনার সাইটটির ভিত্তি মুজবুত এবং উচ্চমাপের করতে চান তবে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এই সিএসএস ফ্রেমওয়ার্কটি আপনাকে গ্রিড সিস্টেমে ওয়েব সাইটের ওয়াইড পরিমাপ করতে, প্লাগিংস এবং বিভিন্ন স্টাইলশীট ব্যবহার করে সাইটকে দুষ্টিনন্দন করতে সহায়তা করবে।

৩. Typetester

এটি একটি অনলাইন এপ্লিকেশন যা ওয়েবসাইটের ফন্ট কি ধরনের হলে সুন্দর হতে পারে সাইটের জন্য তা আগেভাগেই দেখে দেয়া যায়। বলা চলে, ডিজাইনারদের কাজের ধারাকে গতিমত করতে এর আবির্ভাব।

৪. Em Calculator

Em Calculator একটি ছোট অনলাইন জাভাস্ক্রীপট টুল। এটি দিয়ে আপনি সিএসএস এর ওয়াইড, হাইট পরিমাপ সহজেই গুনতে পারবেন।

৫. Web Developer Toolbar

এটি ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যন্ত গুরুপ্তপূর্ণ মজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে আলাদাভাবে একটি ডেভলপার টুলবার প্রদর্শন করবে।

৬. MeasureIt

এটিও ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ মাজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে ওয়েব সাইটের ওয়াইড এবং হাইট সহজেই পরিমাপ করতে পারবেন।

৭. ColorZilla

নাম শুনেই গুণ বুঝার কথা। এটি দিয়ে এ্যাডভান্স রং নির্বাচন, কালারকোড কপি করা সহ কালার সমন্ধীয় অনেক কাজ করতে পারবেন।

৮. Firebug

বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে আপনি সরাসরি যেকোন ওয়েব পেজ সম্পাদন, এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রীপট ফাইলুগলোকে তদারকি করতে পারবেন।

৯. Designers Toolbox

সকল ধরনের প্রিন্ট এবং ওয়েব মিডিয়ার ফাইল সাইজ নির্ধারন করতে পারবেন।

১০. What the Font?

আপনি যে কোন ইমেজ এই সাইটের ডাটাবেজের মধ্যে দিয়ে সার্চ করতে পারবেন আপনার পছন্দের যেকান ফণ্টকে।

১১. Easy Web Form Builder

অনলাইনের যেকোন ধরনের ফর্ম তৈরী এবং তা থেকে ডাটা সংগ্রহ করতে পারবেন।

১২. Browser Shots

এই টুলটি দিয়ে আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের সাইটকে বিভিন্ন ব্রাউজার ক্যাপবল কি না তা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

১৩. Icon Finder

নামের সাথে কাজের তো মিল থাকতেই হয় তাই না? এই টুলটি দিয়ে আপনি যেকোন ধরনের আইকন সার্চ করতে পারবেন।

১৪. Button Browser

এটি একটি বাটর গ্যালারী। আপনি যেকোন ধরনের বাটন এখানে নিমিষেই তৈরী করতে পাবেন।

১৫. Rounded Corner

এটি একটি রাউন্ড কর্ণার তৈরী করার টুল। এটি দিয়ে কোন কর্ণার তৈরী করলে তাতে ৪টি ইমেজ ফাইল, এবং প্রযোজনীয় এইচটিএমএল ও সিএসএস ফাইল জেনারেট করবে রাউন্ড কর্নারের জন্য।

১৬. BlogFlux Button Maker

আপনারা ওয়েবের বিভিন্নস্থানেই ৮০×১৫ সাইজের বাটন দেখে থাকবেন। যা ফটোশপে করতে অনেক সময় লেগে যায়। আপনি খুব সহজেই কয়েক ক্লিকেই এই টুলটি ব্যবহার করে বাটন তৈরী করতে পারবেন।

১৭. Vecteezy

ফ্রিতে ভেক্টর গ্রাফিক্স ফাইল পেতে পারেন।

১৮. Background Image Maker

এটি ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ তৈরী করার একটি সহজ এবং অসাধারন টুল।

১৯. Photoshop Brushes

দৃষ্টি নন্দন ফটোশপ ব্রাশ পেতে এখনই এই সাইটে ব্রাউজ করুন।

20. Tartan Maker

কাপড়ের মত বিভিন্ন ওয়েব সেড তৈরী করতে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।

২১. Color Schemer

এডভান্স ডিজাইনারদের জন্য ColorSchemer Studio 2 একটি গুরুপ্তপূর্ণ কালার সিলেকশন টুল।

২২. Webs

এটি নিয়ে নতুন করে বলার নেই। যারা ফ্রিতে ওয়েব ব্লগ বানাতে চান। তারা ব্লগার কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর পাশাপাশি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

২৩. Sampa

প্রতিদিন ব্যক্তিগত, পারিবারিক, বা ছোট বাচ্চাদের ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তার জন্য এটি ব্যবহার করনে।

২৪. Format Pixel

আপনার অনলাইন ম্যাগাজিন, রম্য ওয়েবসাইট, ব্যক্তিগত পোর্টফোলিও খুব সহজেই তৈরী করতে পারবেন।

২৫. Weebox

এটি ফ্লাস ভিত্তিক একটি ওয়েব সাইট তৈরীর প্লাটফর্ম।
এই হল ২৫টি অনলাইন টুলস।

নিজেই বানান ফেসবুক টাইমলাইনের কভার পেজ।

Wednesday, 15 February 2012
আকর্ষণীয় কভার পেজ বানাতে এই লিঙ্কে চলে জান।
নীচের মত ছবিটি দেখতে পারবেন। নিচে ক্রমিক নাম্বার হিসাবে বর্ণনা দেওয়া হলঃ






১. Upload Background এর মাধ্যমে পিছনে একটি ব্যাকগ্রউন্ড ছবি যোগ করতে পারবেন।
২. Upload Photo এর মাধ্যমে আপনার প্রোফাইল পিকচার যেটা দিতে চান সেই ছবি বা অন্য স্থানে ছবি যোগ করতে চাইলে তা যোগ করতে পারবেন।
৩. এর মাধ্যমে যেকোনো ছবিকে মুভ করানো, লেখালেখি করা, মুছা, ড্রয়িং করা ইত্যাদি করা যাবে।
৪. এর মাধ্যমে ফন্ট, ফন্ট সাইজ, ফন্ট কালার ইত্যাদি পরিবর্তন করা যাবে।
৫. এর মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ড মুছা, ছবি মুছা, আনডু করা যাবে।
৬. এর মাধ্যমে ছবির Contrast, Brightness, Saturation, Hue ইত্যাদি পরিবর্তন করা যাবে।
৭. এর মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাফিকাল ছবি দেওয়া যাবে যা ওই সাইটেই রয়েছে। প্রতিটি গ্রাফিক্স এর একটি ID রয়েছে তা কপি করে এখানে বসিয়ে add graphics এ ক্লিক করলেই গ্রাফিক্সটি যোগ হয়ে যাবে।
৮. এটার মাধ্যমে আপনি শুধু আপনার প্রোফাইল পিকচারটি সেভ করতে পারবেন। যেমন আমার শুধু প্রোফাইল পিকচার হল নীচের অংশটুকু।
৯. সব শেষে আপনার কভার পেজটি সেভ করুন।


ব্যাস এবার ফেসবুকে গিয়ে প্রোফাইল পিক ও কভার পেজ Upload  করুন।

উইন্ডোজে উবুন্টূ ইন্সটলেশন

Thursday, 9 February 2012

আগের পোষ্টে উবুন্টু কি এবং এর কি কি অংশ আছে তা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।এবার এর ইন্সটলেশন পদ্ধতি

ডাউনলোড

যদি সিডি না কিনে ডাউনলোড করতে চান তবে এই অংশটি আপনার জন্য।আমি উবুন্টু বাংলাদেশ মিরর সাইটের ডাউনলোড লিংক দিলাম। এই লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড শুরু করুন।
ভার্শনঃ ১১.১০ অনেরিক
উবুন্টু ডাউনলোড
তবে এটা উইবি এর ইন্সটলেশন ফাইল।মানে উইন্ডোজ এর সাথে সেটাপ দেয়ার জন্য।কেউ যদি হার্ড্রাইভ পার্টিশন করে সেটাপ দিতে চান তাহলে আইএসও ফাইল তা ডাউনলোড করতে পারেন।সেক্ষেত্রে আপনাকে ডাউনলোড করা ফাইল টা একটা ডিস্কে বার্ন/রাইট করে বুট করে ইন্সটল করতে হবে।তবে আমি সেটা নিয়ে আলোচনা করবো না।তাই শুধু ডাউনলোড লিংক দিলাম
এটা উবুন্টূ ১১.১০ এর আই এস ও ফাইলের টরেন্ট ডাউনলোড লিংক
বাজারে উবুন্টুর ডিস্ক কিনতে পাওয়া যায়।আপনি সেটাও নিতে পারেন।কারো যদি সরাসরি উবুন্টু সাইট থেকে ডাউনলোড করা ফাইলের ডিস্ক দরকার হয় তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
যদি আপনি ডিস্ক কিনে থাকেন তাহলে সেটা অটোরান করুন।আর ডাউনলোড করা হলে wubi.exe ফাইল টা তে ডাবল ক্লিক করুন।
এবার উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার কারীরা এমন একটা উইন্ডো পাবেন।
ইউজার এক্সেস কন্ট্রোল
ইউজার এক্সেস কন্ট্রোল
কন্টিনিউ করে সামনে আগান।এবার নিচের মতো একটা উইন্ডো পাবেন।খেয়াল করুনঃ
উবুন্টু ইন্সটলেশন
উবুন্টু ইন্সটলেশন
Installation Drive: আপনি কোন ড্রাইভে সেটাপ দিতে চান।
language: আপনি কোণ ভাষায় সেটাপ দিতে চান।ইংরেজি অবশ্যই।
Installation Size: আপনি কতো সাইজে ইন্সটলেশন করতে চান?আমার পরামর্শ হলো যতো টা বেশি আপনার জন্য সম্ভব দিন।সর্বনিম্ন দেয়া যায় ৩ জিবি।তবে আমি বলবো ৫ জিবির কম দেবেন না।
Username: আপনার সেফটির জন্য এখানে একটি ইউজারনেম দিন
DeskTop Environment :এখানে আপনাকে উবুন্টুর বেশ কিচু ডেক্সটপ ইনভার্মেন্ট থেকে যে কোন একটি বেছে নিতে হবে।ডিফল্ট উবুন্টু এবং আমি সেটাই ব্যবহার করতে পরামর্শ দেবো।
Password: আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড দিন।এটা পরবর্তিতে উবুন্টু চালানোর সময় দরকার পরবে।তাই মনে রাখুন
এবার install এ ক্লিক করুন।

ইন্সটলেশন

যারা নেট থেকে wubi.exe ডাউনলোড করেছেন তাদের এখন মূল উবুন্টু ডাউনলোড করতে হবে।এটা উবুন্টু ইন্সটলেশন সিস্টেম নিজেই করবে।
উবুন্টু ডাউনলোড এবং ইন্সটল
উবুন্টু ডাউনলোড এবং ইন্সটল
ডাউনলোড সাইজঃ ৭০০ মেগাবাইট। যাদের বাসায় ইউপিএস কিংবা আইপিএস নাই তাদের রিকমান্ড করবো সিডি টা ব্যবহার এর জন্য।সবাইকে ভরসা করা যায়।ইলেক্ট্রিসিটিকে না :D
যারা সিডি থেকে ইন্সটল করবেন তাদের এই প্রসেস কয়েকমিনিটে শেষ হবে।

ফিনিশিং

শেষ হলে নিচের মতো একটা উইন্ডো পাবেন।
ইন্সটলেশন শেষ
ইন্সটলেশন শেষ
এখন reboot now সিলেক্ট করে ফিনিশে ক্লিক করুন।ক্লিক করার আগে আপনার পিসিতে চলা যে কোন ধরনের কাজ সেভ করে রাখুন কারন এখন পিসি রিষ্টার্ট নেবে।
চলুন এন নতুন জগতে,ওপেন সোর্স ওয়ার্ল্ডে আপনাকে স্বাগতমঃ
আর অল্প কিছু কাজ বাকি আছে।তাহলেই চালু হয়ে যাবে আপনার উবুন্টূ।রিষ্টার্ট এর পর এমন একটা অপশন পাবেনঃ
বুট অপশন
বুট অপশন
এর পর থেকে আপনি যতো বার কম্পিউটার চালু করবেন ততোবার এমন অপশন পাবেন।উপরে থাকবে উইন্ডোজ নিচে উবুন্টু।যেটা সিলেক্ট করবেন সেটা চালু হবে।আপাতত আমরা উবুন্টু সিলেক্ট করবো কারন ইন্সটলেশন এর কিছু কাজ এখনো বাকি আছে।
এখন উবুন্টু চালু করার পর বাকি ইন্সটলেশন হবে।৫-৮ মিনিটের বেশি লাগে না।এখানে আপনাকে সময় ঠিক করে দিতে হবে
টাইম সেটাপ
টাইম সেটাপ
এবার আপনি কি ধরনে কীবোর্ড লেয়াউট চান সেটা ঠিক করে দিন।
কীবোর্ড লেয়াউট সেটাপ
কীবোর্ড লেয়াউট সেটাপ
বাম দিক থেকে ENGLISH(US) সিলেক্ট করুন।এবং ডান দিকে প্রথমে আসবে ENGLISH(US) সেটা সিলেক্ট করে কন্টিনিউ করুন।
নিচের এটা একটা অপশনাল সেটিংস।সব দেশের ক্ষেত্রে আসে না।কারো আসলে দেখে নিতে পারেন।আমার অবশ্য আসে নাই।এটাকে বরং ইগনর করুন।
আপনার পরিচয়
আপনার পরিচয়
এবার উবুন্টু আপনাকে তার ফিচার সম্পর্কে ধারনা দেবে।চাইলে দেখতে পারেন।নাহলে রান্না ঘরে গিয়ে এক মগ ধূমায়িত কফি বানাতে পারেন।আমি প্রথম বার দেখেছিলাম।এখন এটা আসলে মোবাইল এ গেম খেলি :P
ফিচার লিষ্ট
ফিচার লিষ্ট
আপনার কর্তব্য প্রায় শেষ।এবার দেখুন নিচের এটা আসছে কিনা?আসলে রিষ্টার্ট দিন আর উপভোগ করুন ওপেন সোর্স এর সৌন্দর্য্য।
শেষ ধাপ
শেষ ধাপ

এবার রিষ্টার্টের পর বুট মেনু থেকে উবুন্টু চালু করলে নিচের মতো একটা স্ক্রিন আসবে
লগিন প্যানেল
লগিন প্যানেল
এখানে RED লেখা জায়গাটায় আপনার নাম দেখাবে।সেখানে ক্লিক করলে পাস ওয়ার্ডের ফিল্ড আসবে।ইন্সটলেশন এর সময় যে পাস ওয়ার্ড দিয়েছিলেন সেটা দিন।এবং প্রবেশ করুন ওপেন সোর্স ওয়ার্ল্ডে